হলিউডে রামায়ন, হনুমান চরিত্রে সল্লু ভাই?

Update: June 15, 2012 15:00 IST

রাম ভক্ত হনুমানের চরিত্রে অভিনয় করার প্রস্তাব এসেছে সল্লু ভাইয়ের কাছে। সুত্রে খবর, হলিউডের ভারতীয় বংশদ্ভূত প্রযোজক উরু পাটেলের `মেগা বাজেট ফ্লিক` এ যুগের রামায়নে সমসাময়িক প্রভু হনুমানের ভূমিকায় সলমন খানই প্রথম পছন্দ। ফলে, সব ঠিক ঠাক চললে, পাহাড়, অট্টালিকা পেরিয়ে সীতা উদ্ধারে আকাশে ভ্রাম্যমান দেখা যাবে তাঁকে। ছবির সঙ্গে যুক্ত এক সূত্রেত খবর, প্রথমে আমির খানকে এই `রোল`টি অফার করা হয়ে। কিন্তু কোনও কারণে বিষয়টি বাস্তবায়িত হয়নি।

২০১১-১২`র নিউ ইয়র্কের প্রেক্ষাপটে তৈরি হবে উরুর রামায়ন। রাম ও রাবণের চরিত্রের অভিনয়ের প্রস্তাব দেওইয়া হয়েছে কিয়ানু রিভস এবং গ্যারি ওল্ডম্যানকে। তবে সীতার চরিত্রে কে অভিনয় করবেন তা এখনও ঠিক করেননি প্রযোজক।

Post Your Comment

Total Comments:2

salman er jao darkar

salmaner jaoa uchit

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।