নাক উঁচু শাহিদের

Update: December 10, 2012 20:02 IST

নিজেদের চেহারা নিয়ে কোনওদিনই বিশেষ সন্তুষ্ট ছিলেন না বি টাউনের নায়িকারা। সময় বিশেষে প্রায় সকলেই ছুরি-কাঁচি চালিয়ে চোখ, নাক, মুখ সব পছন্দের মাপ মতো করে নিয়েছেন। তবে এতোদিন পর্যন্ত মহিলারাই এইসব ব্যাপারে খুঁতখুঁতে ছিলেন। মোটামুটি ঈর্ষনীয় পেশি বানাতে পারলেই খুশি থাকতেন পুরুষেরা। এবার তাঁরাও চোখ, মুখ নিয়ে ভাবতে বসেছেন। সম্প্রতি নাসিকা উন্নত করতে অস্ত্রপচারের সাহায্য নিয়েছেন শাহিদ কপুর।

একটি ইংরেজি ট্যাবলয়েডে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী কিছুদিন আগেই রাইনোপ্লাস্টি করিয়েছেন শাহিদ। সেই কারণেই গত দু`মাস ক্যামেরার সামনে বিশেষ মুখ দেখাননি তিনি। তাঁর আগামী ছবি `ফাটে পোস্টার নিকলা হিরো`তেই প্রথমবারের জন্য নতুন নাকে দেখা যাবে শাহিদকে। তবে শোনা যাচ্ছে শাহিদই নাকি একমাত্র নায়ক নন। তলে তলে অনেকেই নাকি আজকাল চেহারায় বদল আনতে একটু ছুরি, কাঁচির সাহায্য নিতে বিশেষ কার্পণ্য করেন না।

Post Your Comment

Total Comments:1

নাক কান অথবা অন্য কিছু যত-ই উঁচু করো , অভিনয়টা কবে সঠিক ভাবে করবে?

jedin tomader king khan (swaghoshito) over acting kora r onyanyo nayak der pechone laga bondho korbe

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।