হাসপাতালে ভর্তি শর্মিলা ঠাকুর

Update: February 21, 2013 12:31 IST

অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি শর্মিলা ঠাকুর। যেতে পারলেন না চেন্নাইতে মনসুর আলি খান পতৌদি মেমোরিয়ালের উদ্বোধনী বক্তৃতায়। হাসপাতাল থেকেই দুঃখপ্রকাশ করে শর্মিলা বলেন, "চেন্নাইতে না যেতে পারার জন্য আমি সত্যিই খুব দুঃখিত। খাবারে বিষক্রিয়া হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছি আমি। একটি স্থানীয় নার্সিংহোমে ভর্তি রয়েছি। আমার পক্ষে কোনওভাবেই চেন্নাইতে যাওয়া সম্ভব ছিল না"। আশালোক নার্সিংহোমে ভর্তি রয়েছেন শর্মিলা।

পতৌদি পরিবারের কেউই থাকতে পারেননি চেন্নাইয়ের অনুষ্ঠানে। `বুলেট রাজা` ছবির শুটিং নিয়ে ব্যস্ত সইফ। সোহা রয়েছেন `সাহেব, বিবি অওর গ্যাংস্টার` ছবির ইউনিটে। সাবাও নিজের কাজ নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন। শর্মিলা বলেন, "আমিই একমাত্র যেতে পারতাম। কিন্তু অসুস্থ হয়ে পড়লাম। সত্যিই হতাশ লাগছে"।

Post Your Comment

Total Comments:4

প্রিয় শর্মিলা ঠাকুরের দ্রুত আরোগ্য লাভের কামনা করি...

Asa korchi apni taratari sustho hoye uthon. Amra sokolei thakurer kache pray korchi apnar valo hoye jabar jonno

Aapni taratari sustha hoye uthun,bhagabaner kashe ei prarthana kori.

May God keep her healthy.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।