তিন লাস্যময়ীর হাত ধরে বলিউডে আমদানি আরও `সাহস`

Update: November 11, 2012 17:03 IST

সানি লিওন, বীণা মালিক, শার্লিন চোপড়া। এই তিন লাস্যময়ীকে নিয়ে সরগরম বলিউড। এমনিতে `জব তক হ্যা জান`, `তালাশ`, `দাবাং টু` - শাহরুখ, আমির, সলমন এই তিন খানদের সিনেমা নিয়েই বেশ ব্যস্ত বাণিজ্যনগরী। কিন্তু এত বিগ বাজেটের সিনেমার মাঝেও তিন লাস্যময়ীর তিন ছবি নিয়ে `অন্য বাজার` ধরায় মেতেছে বলিউড। কিছুটা সবার অজান্তে বলিউডে ঢুকে পড়েছে আরও বেশি `সাহস`। সাধারণ দুনিয়ায় সাহস কথাটার মানে যাই হোক, বলিউডি দুনিয়ায় এর মানেটা অবশ্য আলাদা। এখানে সাহস মানে খোলামেলা পোশাকে অভিনয়, ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে গা গরম করে দেওয়া, বিছানার দৃশ্যে স্বাচ্ছন্দ্যে সবাই উত্তেজিত করে তোলা এইসব। এমনিতে দেশের আঞ্চলিক ছবির তুলনায় বলিউডে সাহস দেখানোর বহরটা কিছুটা বেশিই। সেই সাহসের থার্মোমিটারে নতুন পারদের মাত্রা লিখতে চলেছেন সানি, বীণা, শার্লিনরা। আড়ালে যাদের অনেকেই ধন্যি মেয়ে কটাক্ষ শুনতে হয়।

শীঘ্রই মধ্যেই মুক্তি পেতে চলেছে বীণা মালিকের ছবি `সুপার মডেল`। বিতর্কিত এই পাক মডেলের দাবি তাঁর এই `সুপার মডেল` ছবিতে তিনি এত খোলামেলা দৃশ্যে অভিনয় করেছেন যা ভাবা যাবে না। এই ছবির শ্যুটিং করতে গিয়েই বীণা বাকিদের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে বলেছেন, `সুপার মডেলে` তো বটেই তাঁর আসন্ন ছবিগুলিতেও তিনি এত বেশি চুম্বনের দৃশ্যে অভিনয় করবেন যে তাঁকে সবাই বলিউডের `সিরিয়াল কিসার` বলে ডাকবে। `সিরিয়াল কিসা`র ইমরান হাসমির রেকর্ড কেউ তিনি ছাপিয়ে যাবেন এমন কথাও বলছেন বীণা।
প্লে বয় ম্যাগাজিনে নগ্নতায় ভাসিয়ে দেওয়া শার্লিন চোপরা আবার বলিউডে সাহসের নতুন সংজ্ঞা লিখতে চান `কামসূত্র` ছবির মাধ্যমে। এই ছবি আবার দেখা যাবে থ্রি ডিতেও। রূপেশ পালের পরিচালিত ছবি `কামসূত্র`-র শ্যুটিংয়ে সারতে শার্লিন এখন হলিউডে। সেই ছবির বিছানার দৃশ্যটা নিঁখুত করতে পরিচালক দ্বারস্থ হলিউডের। শার্লিনের দাবি আগামী বছর ফেব্রুয়ারিতে মুক্তি পেতে চলা তাঁর `কামসূত্র` দেখিয়ে দেবে নগ্নতা মানেই অশালীনতা নয়। এই ছবিতে তাঁর শরীর নাকি এতটাই আকর্ষণীয় লেগেছ যে তিনি নিজেই নিজেকে চিনতে পারেন নি।

পর্নস্টার সানি লিওন শুরু করে দিয়েছেন `রাগিনী এমএমএস টু`-এর শ্যুটিং। যে ছবিকে সানি দাবি করেছেন বলিউডের সবচেয়ে নিঁখুত বোল্ড মুভি হিসাবে।
তাই একদিকে বলিউডে যেমন আছে তিন খান। যারা মূলধারার বাণিজ্য ধরবেন। অন্যদিকে তিন লাস্যময়ী যারা শরীর জাদুতে অন্যধারার বিনোদনের বাজার ধরবেন। যেখানে সিনেমা হলের বাইরে মানুষকে হাতছানি দেবে যৌনতা।

এরই মধ্যে আবার হাজির রামগোপাল ভর্মাও। রামুর ছবি এখন হয়তো রামু নিজেও দেখেন না! ভূতের সিক্যুয়েলেও হাত পুড়েছে রামুর। এখন তাই বলিউডে জমি পেতে `সেক্স`কেই সিঁড়ি বানাচ্ছেন রামু। রামুর পরের ছবি ইন্টারনেটে যৌনতার কার্টুন সিম্বল সবিতা ভাবি। সবিতা ভাবির ভূমিকায় আরও এক লাস্যময়ী রোজলিনা খান।

সব মিলিয়ে শেষ দশ বছরে আইটেম ড্যান্স, পশ্চিমি হাওয়া ঢোকার নামে বেশ খোলামেলাভাবেই ঢুকে পড়েছে। তবে ধীরে ধীরে সাহসের সংজ্ঞাটা বদলেছে বাণিজ্যনগরীতে। একটা সময় নায়িকাদের স্বল্পপোশাক, বিকিনি পড়া ছিল `অ্যাডাল্ট` (`এ`গ্রেড) সিনেমার আওতায়। এখন বলিউড অনেক বেশি `সাবালক`হয়েছে। সেই `সাবালাক` বলিউডে সাহসের নতুন যুগের ঠিকানা লেখার অপেক্ষায় তিন লাস্যময়ী। সানি, বীণা, শার্লিন। খেয়াল করেছেন কি তিনজনের নামের শেষটা‌! তাহলে ভেবে দেখুন বলিউডের সাহসের প্রথম অক্ষরটাও কিন্তু ওটা দিয়েই শেষ।







Post Your Comment

Total Comments:3

apnader entertainment page ta darun. sports page tao bes bhalo. kintu baki gulo pocha. apnader site tai sudu binodon r khelar khobor rakhun

sobar protham e producer, director & others der bollywood thake chatai korte hobe.

sobar protham e producer, director & others der bollywood thake chatai korte hobe.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।