রাউলিংকে টুকে বিপাকে শাহরুখ

রাউলিংকে টুকে বিপাকে শাহরুখ

রাউলিংকে টুকে বিপাকে শাহরুখ টোকার অভিযোগ উঠল শাহরুখের বিরুদ্ধে। এর আগেও অনেকবার নিজের জীবনের স্ট্রাগল নিয়ে মিুখ খুলেছেন শাহরুখ। কিন্তু সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত অল ইন্ডিয়া ম্যানেজমেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের বক্তৃতায় শাহরুখের বক্তব্য নাকি তাঁর নিজের নয়। হ্যারি পটার স্রষ্টা জে কে রাউলিংয়ের এক বক্তৃতার বক্তব্যের সঙ্গে তার বিস্তর মিল পাওয়া গেছে। ২০০৮ সালে হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির বক্তৃতায় নাকি এভাবেই বলেছিলেন রাউলিং।

ব্যাঙ্গালোরের এক মিডিয়া কনসালট্যান্ট অগার্থা দিনাকরন প্রথম শাহরুখের বক্তব্যের সঙ্গে রাউলিংয়ের বক্তব্যে মিল খুঁজে পান। নিজের ব্লগে তিনি বিশেষ বিশেষ অংশগুলি তুলে ধরেছেন। রাউলিং বলেছিলেন, "দারিদ্র কোনওদিনই সম্মানজনক নয়। দারিদ্র ভীতি আনে, বিষণ্ণতা আনে, কখনও অবসাদও নিয়ে আসে। এর মানে হাজার হাজার করুণা, অপমান ও কষ্ট।"

শাহরুখ নিজের বক্তব্যে বলেছেন, "আমি এটাই বলতে চাই যে দারিদ্র একেবারেই সম্মানজনক অভিজ্ঞতা নয়। দারিদ্র ভীতি, বিষণ্ণতা ও অবসাদ নিয়ে আসে। আমি আমার মা, বাবাকে জীবনে অনেকবার দারিদ্রের মধ্যে দিয়ে যেতে বলেছি-এর মানে হাজার হাজার করুণা, অপমান আর কষ্ট।"

রাউলিং বলেছেন, "জীবনে খুশি কখনই অর্জন বা সাফল্যের ওপর নির্ভর করে না। শিক্ষাগত যোগ্যতা, বায়োডেটা জীবন নয়, যদিও আমার বয়সী অনেক মানুষ আছেন, বা আমার থেকেও বড় যাঁরা এই দুটোকে এক করে ফেলেন। জীবন কঠিন, জটিল এবং কেউ একে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। নিজের নম্রতা জীবনে উত্থান-পতনের মধ্যে দিয়ে এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে।"

শাহরুখ বলেন, "জীবন মানে শুধু অর্জন করা, সাফল্য আর পরিপূর্ণতা নয়। শিক্ষাগত যোগ্যতা বা বায়োডেটা কিছুই নয়। জীবন অনেক কঠিন, জটিল এবং আমাদের নিয়ন্ত্রনের বাইরে। সেটা নম্রতার সঙ্গে মেনে নেওয়া, নিজের ব্যর্থতাকে সম্মান করা, আমাদের উত্থান পতনের মধ্যে দিয়ে বাঁচতে সাহায্য করে।"

তবে এর জন্য কাকে দায়ী করা হবে তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। শাহরুখকে? নাকি যিনি তাঁর জন্য স্পিচ লিখেছিলেন তাঁকে?


First Published: Sunday, October 06, 2013, 18:53


comments powered by Disqus