স্টুডেন্ট অফ দ্য ইয়ার

Update: September 28, 2012 20:07 IST

কুছ কুছ হোতা হ্যায়ের ঠিক ১৪ বছর পর, আবার করণ জোহারের ছবিতে কলেজের `ইস্ক`। দেরাদুনের কলেজে পড়তে পড়তে বরুন-আলিয়া-সিদ্ধার্থের ত্রিকোণ প্রেম। স্টুডেন্ট অফ দি ইয়ার। বিশাল-শেখরের সুরে "ইস্ক ওয়ালা লাভ" ইতিমধ্যেই কচি প্রেমের বুকে মোচড় দিতে শুরু করেছে। করণের সিনেমাটোগ্রাফি গানটিতে `চার চাঁদ` এনে দিয়েছে। কুছ কুছ হোতা হ্যায় থেকে মাই নেম ইস খান সবেতেই করণ তাঁর রোমান্টিকতার কলস উজার করে দিয়েছেন। এখানেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। যারা ট্রেলর দেখেই ভেবে বসেছেন, করণ "গল্পের গরু গাছে চরিয়েছে"... তাঁদের জন্য একটা ফ্রি অ্যাডভাইস। দিনের ব্যস্ত রোজনামচার মাঝে একবার "ইস্ক ওয়ালা লাভ" শুনেই দেখুন! কলেজের মিঠেকড়া দিনগুলোর কথা মনে পড়বেই।

সালিম মারচেন্ট, শেখর রভজিয়ানি আর নীতি মোহনের গলা গানটিতে প্রেমের অন্য মাত্রা এঁকে দিয়েছে। এখন দেখার, শেষ পর্যন্ত আলিয়া কার হাত ধরে। কে `দিওয়ানে` হয় বরুণ না সিদ্ধার্থ।

লিরিক্স: অমিতাভ দত্ত গুপ্তান
মিউজিক: বিশাল-শেখর

গান গায়ক/গায়িকা সময়
১. "রাট্টা মার" বিশাল দাদলানি, শেফালী আলবারেস ৩.৩০
২. "রাধা" শ্রেয়া ঘোষাল, উদিত নারায়ণ, বিশাল দাদলানি ৫.৪১
৩. "ইস্ক ওয়ালা লাভ" শেখর রাঙজিয়ানি, সেলিম মারচেন্ট, নীতি মোহন ৪.১৪
৪. "দা ডিস্কো সং" বেনী দয়াল, সুনিধি চহ্বান ৫.৪২
৫. "কুক্কার্ড" শাহিদ মালিয়া ৪.২২
৬. "ভেলে" শেখর রাঙজিয়ানি, বিশাল দাদলানি ৩.৫০
৭. "মাশুপ অফ দা ইয়ার" ডিজে কিরণ ও আন্যান্যরা ৩.০১

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।