সাত পাকে মোহিত-উদিতা

Update: January 31, 2013 18:03 IST

পরিচালক মোহিত সুরীর সঙ্গে সাত পাকে বাঁধা পড়লেন অভিনেত্রী উদিতা গোস্বামী। মঙ্গলবার সন্ধেয় মুম্বইয়ের ইস্কন মন্দিরে পাঞ্জাবি রীতি মেনে চার হাত এক হল উদিতা-মোহিতের। উপস্থিত ছিলেন দু`জনের পরিবার ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুবান্ধবরা।

পাক্কা পাঞ্জাবি কনের মতোই কারুকার্য করা লাল লেহেঙ্গা চোলিতে সেজেছিলেন উদিতা। মোহিত পরেছিলেন লাল শেরওয়ানি। বলিউড তারকাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দিয়া মির্জা, কঙ্গনা রওনাত, মহেশ ভাট, মুকেশ ভাট, অনুরাগ বসু, জাকলিন ফার্নান্ডেজ, বিক্রম ভাট, শ্রদ্ধা কপুরের মতো গুটিকয়েক উদিতা-মোহিত ঘনিষ্ঠরা।

৩১ জানুয়ারি মহালক্ষ্মী রেস কোর্সে রয়েছে রিসেপশন পার্টি। আশা করা হচ্ছে বলিউডের চাঁদের হাট ভাঙবে সেখানেই। `জহর`, `কলিযুগ`, `উহ্ লমহে`, `রাজ`, `মার্ডার টু`-র মতো ছবি পরিচালনা করেছেন মোহিত। `পাপ`, `জহর`, `অকসর` ছবিতে অভিনয় করেছেন উদিতা।


Post Your Comment

Total Comments:4

This is not a news . there are more important works going on .

This is not a news . there are more important works going on .

Is this a news... ?? Journalists have so many fields where more important works are going on or to do....

ki darun bou bhai. ami erom pale saradin sudu ador e kora jetam

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।