অধরাই থেকে গেল মিস ইউনিভার্সের শিরোপা

Update: December 20, 2012 11:32 IST

এবারও হল না স্বপ্নপূরণ। বারো বছরের খরা কাটিয়ে বিশ্বসুন্দরীর মুকুট আনতে পারলেন না ভারতের শিল্পা সিং। শেষ ষোলোতেই শেষ হয়ে গেল ভারতের চ্যালেঞ্জ। লাস ভেগাসের প্ল্যানেট হলিউড রিসর্ট অ্যান্ড ক্যাসিনোয় মিস ইউনিভার্সের শিরোপা পেলেন মিস ইউএসএ অলিভিয়া কালপো। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন মিস ফিলিপিন্স। তৃতীয় মিস ভেনেজুয়েলা। চতুর্থ ও পঞ্চম স্থান পেয়েছেন মিস অস্ট্রেলিয়া ও মিস ব্রাজিল।

অ্যান্ডি কোহেন, গিলিয়ানা রাঞ্চিস ও জিনি মাইয়ের সঞ্চালনায় সারা বিশ্বের মোট ১৮০টি দেশের এক বিলিয়ন দর্শক দেখেছেন একষট্টি তম মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতা। ৮৯টি দেশের প্রতিনিধিরা লড়াই করেছেন মিস ইউনিভার্সের মুকুটের জন্য। ছিল রক ব্যান্ড ট্রেনের লাইভ অনুষ্ঠানও। সেরা জাতীয় পোষাকের শিরোপা জিতেছেন চিনের প্রতিযোগী। গত বছরের বিজয়িনী অ্যাঙ্গোলার লিলা লোপেজ মার্কিনী সুন্দরীকে মিস ইউনিভার্সের মুকুট পরান।
তবে মূলপর্বে অংশ নিলেও শিল্পা কিন্তু জানতেনই না এই সুযোগ পেতে চলেছেন তিনি। নিয়ম অনুসারে আই অ্যাম শি প্রতিযোগিতার বিজয়িনী অংশ নেন মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতায়। এইবছর আই অ্যাম শি জিতেছিলেন উত্তরাখণ্ডের ঊর্বশী রতেলা। কিন্তু তাঁর বয়স আঠেরোর কম হওয়ায় শেষ পর্যন্ত শিকে ছেঁড়ে বিহারের শিল্পা সিংয়ের ভাগ্যে। আই অ্যাম শি প্রতিযোগিতায় মিস গ্লোব ইন্টারন্যাশানালের মুকুট উঠেছিল ২৩ বছরের শিল্পার মাথায়। কম্পিউটার সায়েন্সের স্নাতক শিল্পা ইনফোসিস টেকনোলজিতে কর্মরতা।


Post Your Comment

Total Comments:2

TO 24GHANTA, AISOB KHABOR APNARA NA DILAI BHALO HOI.

TO 24GHANTA, AISOB KHABOR APNARA NA DILAI BHALO HOI.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।