বিশ্ব সুন্দরীর শিরোপা অধরা থাকল বন্যার

Update: August 18, 2012 23:49 IST

অর্ডোসের বর্ণময় অনুষ্ঠানে সেরা সুন্দরীর শিরোপা পেলেন চীনের সুন্দরী ওয়েনজিয়া হু। প্রথম ও দ্বিতীয় রানার্স আপ মিস ওয়েল্‌স ও মিস অস্ট্রেলিয়া। ভারতের প্রতিযোগী বন্যা মিশ্র শেষ সাতের তালিকায় উঠলেও, পেলেন না বিশ্বের সেরা সুন্দরীর তকমা। স্বভাবতই ভারতীয়দের পছন্দের তালিকার শীর্ষে ছিলেন বন্যা। তবে তিনি পেয়েছেন `মিস সোশ্যাল মিডিয়া` আর `বিউটি উইথ আ পার্পাস`-এর মুকুট। দুনিয়ার তামাম সুন্দরীদের টেক্কা দিয়েছেন তিনি। বিশ্বের সেরা সুন্দরী শিরোপার অন্যতম দাবীদার ছিলেন বন্যা। তবে শেষ রক্ষা হল না।


অন্যদিকে `মিস সোশ্যাল মিডিয়া`-র শিরোপা বন্যার ঝুলিতে আসে তাঁর `সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং`-এর দক্ষতা দেখে। আজকের যুগে সোশ্যাল নেটওয়ার্ক এর গুরুত্ব দেখেই এই পুরষ্কার দেওয়া বলে জানানো হয়। বন্যা `মুক্তাঙ্গন` বলে একটি চ্যারিটি শো করেছিলেন যার ফলে তাঁর অতিরিক্ত পঞ্চাশ নম্বর যোগ হয়। `মুক্তাঙ্গন`-এ কাজের ফলে তাঁর শেষ সাত জনের মধ্যে স্থান নিশ্চিত হয় যায়।


শেষ রাউন্ডে বন্যাকে তাঁর পরবর্তী `মিস ওয়ার্ল্ড`-এর শিরোপা পাওয়ার যোগ্যতা কী জিজ্ঞেস করায় তিনি বেশ সপ্রতিভ উত্তর দেন। তাঁর বক্তব্য, সুন্দর মনের অধিকারী যিনি তিনিই আসল মিস ওয়ার্ল্ড। যিনি নিজের উপস্থিতি সর্বত্র ছড়িয়ে দিতে পারেন তিনিই হয়ে উঠবেন সকলের প্রিয়। নিজের ওপর বিশ্বাস রাখা জরুরী বলে জানান তিনি। তিনি স্পষ্টই জানিয়ে দেন তাঁর মধ্যে এই সকল গুণই আছে।





Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।