মেহেন্দিতে বাঙালি বিদ্যা

Update: December 13, 2012 16:34 IST

বিদ্যা বালনের বাংলা প্রেম কারও অজানা নয়। কেরিয়ার শুরু বাংলা ছবি দিয়ে। বলিউডেও আত্মপ্রকাশ খাঁটি বাঙালি মেয়ে ললিতার চরিত্রে। কাহানির পর সেই প্রেম বেড়ে গেছে চতুর্গুণ। তার প্রমাণ পাওয়া গেল বিদ্যার মেহেন্দিতেও। রাসবিহারী মোড়ের মহারানির চায়ের চমকে পাগল বিদ্যা মেহেন্দিতে সেজেছিলেন আগাগোড়া পাক্কা বাঙালি হবু কনে।

বুধবার মুম্বইয়ের খার এলাকায় বিদ্যা বালনের বাড়িতে বসেছিল মেহেন্দির আসর। সব্যসাচি মুখার্জির ডিজাইনে কাঁচা হলুদ রঙের শাড়ি বিদ্যা পরেছিলেন একেবারে বাঙালি কায়দায়। সঙ্গে ঘটি হাতা ব্রোকেড ব্লাউজ। ফুলের গয়না। হাতে মেহেন্দিও পরেছিলেন কারুকাজবিহীন। বাঙালি আলতার কায়দায়। সম্পূর্ণ পারিবারিক পরিসরের মেহেন্দির অনুষ্ঠানে রেখার উপস্থিতি এনেছিল বলিউডি ছোঁয়া। বিদ্যার মেহেন্দির একমাত্র সেলিব্রিটি গেস্ট। বিদ্যার বহুদিনের ঘনিষ্ঠ রেখা পরেছিলেন সবুজ-রানি কাঞ্জিভরম। সঙ্গে সোনার গয়না।

মেহেন্দির আগে গত ১১ তারিখ বিদ্যার বাড়িতেই অনুষ্ঠিত হয়েছে সঙ্গীত। আগামিকাল চেম্বুরের শ্রী সুব্রমনিয়ম মন্দিরে তামিল ও পঞ্জাবি রীতি মেনে গাঁটছড়া বাঁধবেন বিদ্যা ও ইউটিভি ডিজনির সিইও সিদ্ধার্থ রয় কপুর।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।