দুপুর গড়ালেই সিল্কের সঙ্গীত

Update: December 11, 2012 15:09 IST

শুরু হয়ে গেল বিদ্যার বিয়ের অনুষ্ঠান। বিয়ের তিন দিন আগে আজই সঙ্গীতের আসর বসছে বিদ্যার বাড়িতে। বেশ কিছুদিন ধরেই বিদ্যার সুপারহিট গানের মেডলি বানিয়ে মহড়া দিয়েছেন তুতো ভাইবোনেরা। আজ সেই মেডলির সঙ্গেই নাচবে বিদ্যার পুরো পরিবার। দুই ভাই কুনাল ও আদিত্যর সঙ্গে আসবেন সিদ্ধার্থও। প্রিয় ডিজাইনার সব্যসাচির শাড়িতে ডার্টি পিকচারের গান উহ লা লা-র সঙ্গে নাচবেন বিদ্যাও। তবে মহড়া দেওয়ার সুযোগ পাননি বিদ্যা। তাই স্বত:স্ফূর্ত ভাবেই নাচবেন সিল্ক স্মিতা। বর, কনে, দুই বাড়ির ঘনিষ্ঠ আত্মীয় ও বন্ধুবান্ধব উপস্থিত থাকবেন সঙ্গীতে।

সঙ্গীতের পর ১৪ ডিসেম্বর বিয়ে। ওইদিনও সব্যসাচির শাড়িতেই বিয়ের ছাদনাতলায় যাবেন বিদ্যা। তামিল ও পঞ্জাবি দুই মত মেনেই বিয়ে হবে বিদ্যা-সিদ্ধার্থের। শোনা গেছে বিদ্যার বিয়ের জন্য মোট ১৮টি শাড়ি তৈরি করেছেন সব্যাসাচি। তার মধ্যে বিয়ের মাদ্রাজি সিল্ক সম্পূর্ণ নিজের হাতে বানিয়েছেন সব্যসাচি। তবে ডিজাইনার শাড়ি পরে গাঁটছড়া বাঁধলেও গা ভর্তি ঐতিহ্যশালী সোনার গয়নাই পছন্দ বিদ্যার। ডিজাইনার জুয়েলারি ঠাঁই পায়নি সেখানে।

বিয়ের পরই ক্যারিবিয়ান ক্রুজে মধুচন্দ্রিমায় যাবেন নবদম্পতি। ইউটিভি ডিজনি সিইও সিদ্ধার্থ রয় কপুরের সঙ্গে তিন বছরের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের পর বিয়ে করছেন বিদ্যা।

Post Your Comment

Total Comments:1

it not a joke

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।