তৈরি হচ্ছে বিদ্যার বিয়ের শাড়ি

Update: November 16, 2012 12:00 IST

অ্যাওয়ার্ড ফাংশন, ছবির প্রেমিয়ার, বিয়ে বাড়ি বা যে কোনও অনুষ্ঠান। বিদ্যা বালন মানেই ট্রাডিশনাল শাড়ি। বিয়ের পিঁড়িতে বসতেও যে বিদ্যা শাড়িই পছন্দ করবেন তা বলার অপেক্ষা রাখে না। আর শাড়ির ব্যাপারে সব্যসাচী ছাড়া ভাবতেই পারেন না তিনি। বিয়ের জন্যও সব্যসাচীকে ১৮টা শাড়ি বানানোর অর্ডার দিয়েছেন বিদ্যা।

সব্যসাচীর টিমের এক সদস্যের বয়ান অনুযায়ী, বিদ্যা যে ১৮টা শাড়ির অর্ডার দিয়েছেন তার মধ্যে দুটো ব্রাইডাল ওয়্যার। বাকিগুলো বিয়ের অনুষ্ঠানের দিনের বেলা পরার জন্য। তবে ১৮টার মধ্যে সবথেকে স্পেশ্যাল শাড়িটা সব্যসাচী নিজের হাতে বানাবেন। এখন আপাতত লন্ডনে রয়েছেন পেপসি(সব্যসাচী)। মুম্বই ফেরার পথে চেন্নাই থেকে এক্সক্লুসিভ মাদ্রাজি সিল্কের মেটিরিয়াল নিয়ে এসে শাড়ি বানাবেন সব্যসাচী। পয়লা ডিসেম্বরের মধ্যেই সব শাড়ির ডেলিভারি চেয়েছেন বিদ্যা।

ডিসেম্বরের মাঝামাঝিই বয়ফ্রেন্ড ইউটিভি ডিজনির সিইও সিদ্ধার্থ রয় কপুরকে বিয়ে করতে চলেছেন বিদ্যা। তবে বিয়ের ব্যাপারে এখনও মুখ খোলেননি কেউই। গত দুবছর নিজেদের সম্পর্ককে মিডিয়ার থেকে আড়াল করে রেখেছিলেন বিদ্যা-সিদ্ধার্থ। ঠিক সেভাবেই বিয়েটাও প্রচারের আলো থেকে দূরেই রাখতে চান তাঁরা। তামিল ট্রাডিশ মেনে দিনের বেলায় বিয়ে করবেন বিদ্যা। গোটা ডিসেম্বরটাই প্রায় ছুটি নিয়েছেন সিদ্ধার্থ। ক্যারিবিয়ান আইল্যান্ডে হনিমুনে যেতে পারেন বলিউডের নতুন হাই প্রোফাইল কাপল।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।