লেডি খানের ঘরোয়া সঙ্গীত

Update: December 12, 2012 16:39 IST

গত তিন বছর তাঁদের সম্পর্ক গোপন রেখেছিলেন বিদ্যা-সিদ্ধার্থ। কখনই একসঙ্গে ক্যামেরার সামনে আসেননি দুজন। মঙ্গলবার সঙ্গীতের আগে প্রথম বারের জন্য একসঙ্গে ক্যামেরার সামনে এলেন তাঁরা।

বিয়ের আগে কাল বিদ্যার বাড়িতে বসেছিল সঙ্গীতের আসর। বরাবরই টিনসেল টাউনের চলতি ট্রেন্ডের থেকে অনেক দূরে থাকা বিদ্যা এদিনও বেছে নিয়েছিলেন ঐতিহ্যশালী শাড়ি। সব্যাসাচি মুখার্জির ডিজাইন করা লাল, সোনালি ব্যাঙ্গালোর সিল্ক। সঙ্গে লম্বা হাতা ব্লাউজ। ডিজাইনার নয়, একেবারে খাঁটি ভারতীয় ডিজাইনের ভারী সোনার গয়না। কপালে টিপ, খোল চুল। এই ছিল বিদ্যার সাজ। সাদা সুতোর কাজ করা কূর্তা পাজামা পরেছিলেন সিদ্ধার্থ। সঙ্গীতের আগে বিদ্যার বাড়িতে ঢোকার মুখে হাসিমুখে ক্যামেরার সামনে হাত নাড়লেন বি-টাউনের তারকা জুটির তালিকায় নবতম সংযোজন।

আত্মীয়স্বজন, দুই পরিবারের ঘনিষ্ঠ ও বন্ধুবান্ধবরা উপস্থিত ছিলেন সঙ্গীতে। বিদ্যার সুপারহিট গানের মেডলির সঙ্গে নেচেছেন তাঁর তুতো ভাইবোনেরা। ডার্টি পিকচারের গান উহ্ লা লা-র সঙ্গে পা মিলিয়েছেন বিদ্যাও। আগমী ১৪ তারিখ মুম্বইয়ের চেম্বুর এলাকার একটি মন্দিরে গাঁটছড়া বাঁধবেন বিদ্যা-সিদ্ধার্থ।










Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।