এবার পালা বিদ্যার?

Update: November 8, 2012 19:03 IST

শুরু থেকেই বছরটা ভাল কাটেনি বলিউডের। বছরভর বক্সঅফিসের টালমাটাল দশা হজম করা গেলেও এভাবে হৃদয়ঙঙ্গ মেনে নেওয়া সত্যিই কষ্টকর। একই বছরে প্রথম সারির দুই অভিনেত্রীর মালাবদল সদূর অতীতেও ঘটেছে কি না সন্দেহ। খবর যদি সত্যি হয় তবে করিনার পর এবার ছাদনাতলার দিকে পা বাড়িয়েছেন বিদ্যা।

বেশ কিছুদিন ধরেই ইউটিভি ডিজনির সিইও সিদ্ধার্থ রয় কপুরকে ডেট করছেন বিদ্যা। গত মে মাসে একটি সাক্ষাত্কারে নাম না করে সেকথা প্রায় স্বীকারও করেন বিদ্যা। তবে বিয়ের ব্যাপারে বিশেষ মুখ খুলতে চাননি। "আমার এখনই কোনও বিয়ের কোনও প্ল্যান নেই। এখনও আমাদের এনগেজমেন্ট হয়নি। আমার কোনও তাড়াহুড়োও নেই। তবে হ্যাঁ, আমার জীবনে অবশ্যই বিশেষ কেউ আছেন"। সেই বিশেষ কেউ কে জানতে চাইলে অবশ্য ধরি মাছ না ছুঁই পানি গোছের উত্তর দেন বিদ্যা। "আমি অবশ্যই সিদ্ধার্থকে ডেট করছি। তবে এর বেশি কিছু বলতে চাই না"।

আগামী ডিসেম্বরে ৪ সপ্তাহের ছুটি নিয়েছেন সিদ্ধর্থ। আশা করা হচ্ছে তখনই ৪ হাত এক হতে চলেছে।







Post Your Comment

Total Comments:2

Bidya Balan is a perfect and natural actor.From Parinita to Bhulbhulia to No one killed jesica to (Not at all)Dirty picture,Bidya successfully charecterise all the charecter at ease.Im a great fan of Bidya and wish her all the success and pleasure of material world.

ami o tai vabi biye ta korei neoya dorkar,

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।