• বিক্ষোভে প্রাণ হারালেন পুলিস কনস্টেবল সুভাষ চাঁদ তোমর। তাঁর মৃত্যু নিয়ে দানা বাঁধে বিতর্ক। পুলিসের দাবি উপস্থিত জনতার ইঁটের আঘাতই তাঁর মৃত্যুর কারণ। দুই প্রত্যক্ষদর্শীর দাবি, আঘাতে নয়, হঠাতই অসুস্থ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পরেন তোমর।

  • প্রতিবাদে শান্তি বজায় রাখার আবেদন জানান প্রধানমন্ত্রী।

  • দোষীদের কঠিনতম শাস্তির দাবিতে উত্তাল হয়ে ওঠে দেশের বিভিন্ন প্রান্তর।।

  • তরুণীর শারীরিক অবস্থা ক্রমাগত অবনতি হওয়ায় দিল্লির সফদরজং হাসপাতাল থেকে দ্রুত নিয়ে যাওয়া হয় সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে।

  • ২৯ ডিসেম্বর। থেমে গেল তেরো দিনের লড়াই। মৃত্যুর কাছে হার স্বীকার করে নিলেন দিল্লির তরুণী। দিয়ে গেলেন প্রতিবাদের ভাষা।

  • ডিসেম্বরের ১৬। দিল্লির মুনিরকা থেকে বাসে এক নারকীয় অধ্যায়। ডিসেম্বর ১৭-এ প্রতিবাদে প্রথম পা।

  • দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী শীলা দীক্ষিতের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ।

  • শীলা দীক্ষিতের বাড়ির সামিনে জল কামান চালানো পুলিস।

  • প্রতিবাদে চলে লাঠিও

  • দিল্লির রাজপথে মানুষের ঢল। হাজার হাজার বিক্ষুব্ধ মানুষের স্বতস্ফুর্ত প্রতিবাদ ব্যারিকেড ভেঙে পৌঁছল রাইসিনা হিলে।

  • দিল্লির শীতে ক্রমাগত চলে জলকামান, লাঠি, কাঁদানে গ্যাস। উত্তাল প্রতিবাদের আঁচ ছড়িয়ে পড়ল রাজধানীর গণ্ডি ছাড়িয়ে সারা দেশে।

  • আক্রমণ আসে প্রতিবাদীদের দিক থেকেও। ক্রমশ হিংসা ছড়ায় বিক্ষোভে।

  • মোমের নরম আলোয় ঝলসে উঠল প্রতিবাদের ভাষা। সারা দেশ যেমন শোকে নতজানু, অন্যদিকে শপথে দৃঢ়। এক লড়াই শেষ হয়ে সূচিত হল অন্য এক লড়াই...