• বিশ্বনাথন আনন্দ। পাঁচ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। ২০১২ তেও নিজের বিশ্বজয়ের ধারা অব্যাহত। ইসরায়েলের গেলফাঁকে পরাজিত করে এবারও অক্ষত রাখলেন নিজের মুকুট।

  • ভারতীয় দৃষ্টিহীন ক্রিকেট দল। বাহ্যিক কোনরকম শারীরিক প্রতিবন্ধীতা যে আসলে মানুষের পরিচয় হতে পারে না, আটকে রাখতে পারে না কোন গন্ডিতে তাই প্রমাণ করলেন এই ১১ জন। বিজয়ী হলেন দৃষ্টিহীনদের প্রথম বিশ্বকাপের। করলেন এই ১১জন।

  • ড্যানি বয়েল। খেলার দুনিয়া থেকে শত যোজন দূরত্বে বাস করতেন অস্কারজয়ী এই পরিচালক। কিন্তু তাঁর মস্তিস্কপ্রসূত চিন্তার চরম উৎকর্ষতার বিচ্ছুরণ ঘটল লন্ডন অলিম্পিকসের উদ্বোধনে। সারা বিশ্ব সাক্ষী থাকল বাহুল্য বিহীন এক অনন্যসাধারণ অলিম্পিকস উদ্বোধনের। ড্যানি বয়েক তাই আমাদের খেলয়াড়ি কুর্নিশ

  • কিপরোতিচ। এবারের অলিম্পিকসের ম্যারাথন চ্যাম্পিয়ন। গৃহযুদ্ধ আর দারিদ্রে দীর্ণ তাঁর মাতৃভুমি।উগান্ডা। কিন্তু তাতে থেকে থাকেনি তাঁর বিজয় রথ। সবাইকে পিছনে ফেলে ম্যারাথনের লম্বা রেসটা হেলায় জিতে নিয়েছেন এই চ্যাম্পিয়ন।আমদের সেলাম।

  • সেরেনা উইলিয়মস। গত বছরই পায়ের চোটে অনিশ্চিত হয়ে যায় তাঁর টেনিস কেরিয়ার। রীতিমত মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে ফিরে আসেন টেনিসকোর্টে। তারপর এই বছর উইলম্বল্ডন, ইউএসএ ওপেনের সঙ্গেই ছিনিয়ে নিয়েছেন অলিম্পিকসের জোড়া সোনা। শিকিয়ে দিলেন এভাবেও ফিরে আসা যায়। বা বলা ভাল শেখালেন এভাবেই ফিরে আসতে হয়

  • যুবরাজ সিং। দুরারোগ্য ক্যানসারকে সজোরে বাউন্ডারির বাইরে পাঠিয়ে আবার ২২ গজে স্বমহিমায় ফিরে এসেছেন এই রিয়েল হিরো। জীবন যুদ্ধে অপরাজেয়কে আমাদের কুর্নিশ।

  • গুয়র মারিয়ল। আদতে সাউথ সুদানের বাসিব্দা এই ম্যারাথনিস্ট অভিশপ্ত শৈশবের শিকার। শুধুমাত্র বাঁচার তাগিদে ছুটে বেড়িয়েছেন যুদ্ধবিদ্ধস্ত মাতৃভূমির বুকে। তারপর দৌড়েছেন অনেকটা পথ। প্রথম বিশ্বনাগরিক হিসাবে ছুটলেন অলিম্পিকস ম্যারাথনের ফাইনালে। সেলাম তাঁকে।

  • পেপ গুয়ার্দিওলা। তাঁর কোচিং-এ বার্সেলোনা অপ্রতিদন্ধীতার সীমারেখাটা ছুঁয়ে ফেলেছিল। টিকিটিকা ফুটবলকে চরম উৎকর্ষতাইয় নিয়ে গিয়েছিলেন। বিশ্বকে দেখিয়ে ছিলেন অন্য একধরণের ফুটবল। তারপর? স্রেফ ইচ্ছা হচ্ছে না বলে ছেড়ে দিলেন বার্সেলোনার কোচিং। সাফল্য,যশ,খ্যাতিকে অনায়াসে অবজ্ঞা করলেন। স্যালুট তাঁকে

  • উন্মুক্ত চাঁদ। ভারতের রথী-মহারথীরা যখন সারা বছর ২২গজে হিমশিম খেয়েছেন তখন দেশের মানরক্ষা হয়েছে এই কিশোরের হাত ধরে। অনুর্দ্ধ উনিশ বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন দলের ক্যাপ্টেন অধিনায়কচিত ঢঙেই দেশকে বিশ্বসেরা করেছেন। হ্যাটস অফ উন্মুক্ত।