৩০১ টি বুথে পুনর্নির্বাচনের দাবি, কমিশনের বিরুদ্ধে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগ বামেদের, ব্যাপক হারে পড়ল ভোট-LIVE BLOG

Last Updated: Wednesday, May 7, 2014 - 18:36

রাজ্যে চলছে চতুর্থ দফার ভোটগ্রহণ। এ রাজ্যের ৬ কেন্দ্রে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে মোট ৭২ জন প্রার্থী। ভোট জঙ্গলমহলের মতো স্পর্শকাতর অঞ্চলে। থাকল লাইভ আপডেট--
সন্ধ্যা ৬টা- দিল্লির দফতরে সিপিআইএমের প্রতিনিধি দল।

৩০১টি বুথে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানাল বামফ্রন্ট।

বিকাল ৫.১৫টা-বিকাল ৫টা পর্যন্ত রাজ্যের ৬টি কেন্দ্রে ভোটের হার-মোট ৮০.৫১ শতাংশ। মেদিনীপুর-৮১.৪১ শতাংশ, ঝাড়গ্রাম-৮৭.৮৮ শতাংশ, পুরুলিয়া-৭৮.৫৫ শতাংশ, বাঁকুড়া-৮০.৫৫ শতাংশ, বিষ্ণুপুর-৮৫.২১ শতাংশ, আসানসোল-৭৫.৪৭ শতাংশ।
দুপুর ৩.৫০-নারায়ণগড়ে আক্রান্ত তৃণমূল কর্মী। গলায় ছুরি মারা হল সেই তৃণমূল কর্মীকে।

দুপুর ৩.৪৫-পাণ্ডবেশ্বরের ১৪৩ নম্বর বুথে ভোট দিতে না দেওয়ার অভিযোগ করেছেন প্রায় ২৭০ জন ভোটার।

দুপুর ৩.২৫-দুপুর ৩টে পর্যন্ত রাজ্যের ৬টি কেন্দ্রে ভোটের শতকরা হার। মোট-৭৩.২০ শতাংশ। মেদিনীপুর-৬৯.৩৫ শতাংশ, ঝাড়গ্রাম-৭৭.৫৬ শতাংশ, পুরুলিয়া-৭৪.৭৮ শতাংশ, বাঁকুড়া-৭২.৬৩ শতাংশ, বিষ্ণুপুর-৭৫.৮৯ শতাংশ,আসানসোল-৬৯.৭৬ শতাংশ।

দুপুর ২.৪০-গড়বেতার ১৩২ নম্বর বুথেও বিরোধী পক্ষের কোনও এজেন্টদের বসতে না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্পর্শকাতর বুথ হলেও দেখা মেলেনি কেন্দ্রীয় বাহিনীর। দেখা মেলেনি রাজ্য পুলিসেরও। হোমগার্ড ও এনভিএফ দিয়েই চলছে ভোটপর্ব।

দুপুর ২.৩০- গড়বেতার ১৯৭ নম্বর বুথে সিপিআইএমের এজেন্টদের মারধরের অভিযোগ। কাঠগড়ায় তৃণমূল কংগ্রেস। সিপিআইএমের অভিযোগ পুলিসের সামনেই দলের এজেন্টদের মারধর করা হয়।

দুপুর ২.০০- আসানসোলের বার্নপুর বয়েজ হাইস্কুলের বুথের ভিতর জমায়েত করেছিলেন তৃণমূল ও সিপিআইএম কর্মীরা। তাদের হঠাতে ব্যাপক লাঠিচার্জ করে পুলিস।

দুপুর ১.১৫-দুপুর ১টা পর্যন্ত রাজ্যের ৬টি কেন্দ্রে ভোটদানের হার-৬১.৬২ শতাংশ। মেদিনীপুর-৫৬.৯৯ শতাংশ। ঝাড়গ্রাম-৬৫.৪৮ শতাংশ। পুরুলিয়া-৬৩.৬৩ শতাংশ। বাঁকুড়া-৬১.৩৬ শতাংশ।

দুপুর ১২টা- ঝাড়গ্রাম লোকসভা কেন্দ্রে অন্তত তিনটি বুথে বাম নির্বাচনী এজেন্টকে অপহরণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ওই কেন্দ্রে বামপ্রার্থী পুলিন বিহারী বাস্কে। গড়বেতার মাইথা এলাকার ৩৩টি বুথে ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ উঠেছে।

বিক্ষিপ্ত হিংসার মধ্যেই চতুর্থ দফায় ভোট শান্তিপূর্ণ হচ্ছে। বললেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা সূর্যকান্ত মিশ্র।

সকাল ১১.৫০টা- প্রায় ৫০টি বুথ থেকে বিজেপি এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠল এগরা এক নম্বর ব্লকের দেশবন্ধু, জেটথান এলাকায়। অভিযোগ তৃণমূল কংগ্রেসের উপপ্রধান অভিমন্যু প্রধান, তৃণমূল নেতা ফিরোজ খানের বিরুদ্ধে।

সকাল ১১.৪৫টা- জামুড়িয়ার ৭৮, ৭৯, ৮০ নম্বর বুথ এবং পাণ্ডবেশ্বরের ৫২ ও ৫৩ নম্বর বুথে ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ তুলেছে বামেরা। জামসোলে সিপিআইএম কর্মীদের মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। ভোটারদের ভয় দেখানোর অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে।

সকাল ১১.৩০টা-চব্বিশ ঘণ্টার খবরের জের। খণ্ডঘোষে ইভিএমে নজর রাখা ব্যক্তিকে বুথ থেকে বের করে দিল নির্বাচন কমিশন। ইভিএমটিও সরিয়ে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কলেমপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৪৩ নম্বর বুথে ভোটকক্ষের পাশে দাঁড়িয়েই ইভিএমে নজর রাখছিলেন এক ব্যক্তি। এই ছবি দেখানো হয়েছিল চব্বিশ ঘণ্টায়। নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে ওই ব্যক্তি জলবাহক। তাঁকে বুথ থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে।

সকাল ১১.১৫টা- সকাল ১১টা পর্যন্ত রাজ্যের ৬টি কেন্দ্রে ভোটের হার-মেদিনীপুর-৪৩.৯৬ শতাংশ। ঝাড়গ্রাম-২৫ শতাংশ। পুরুলিয়া-৪৬.২৫ শতাংশ। বাঁকুড়া-৪৭.১৬ শতাংশ। বিষ্ণুপুর-৪৪.৪২ শতাংশ। আসানসোল-৪৪.২৩ শতাংশ।

সকাল ৯.৩০টা- বাবুল সুপ্রিয়র বুথে ঢোকা নিয়ে আপত্তি। লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা ভোটারদের সঙ্গে কথা বলছিলেন বাবুল সুপ্রিয়। তাতে আপত্তি জানায় তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী-সমর্থকরা। এর জেরেই ভোট চলাকালীনই বিজেপি প্রার্থীকে ঘিরে বিক্ষোভ চলল আসানসোলের মন্তেশ্বরের মহিশিলায়।

সকাল ৯.২০টা-- সকাল ৯টা পর্যন্ত রাজ্যের ৬টি কেন্দ্রে ভোটের হার-- মেদিনীপুর- ২২ শতাংশ, ঝাড়গ্রাম-২৫ শতাংশ,পুরুলিয়া-২৪ শতাংশ,বাঁকুড়া-২৩ শতাংশ,বিষ্ণুপুর-২৪ শতাংশ, আসানসোল-২২ শতাংশ।

সকাল ৯.১৫টা- মেদিনীপুরের সিপিআইএম প্রার্থী প্রবোধ পান্ডার গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ তৃণমূলের। প্রার্থী প্রবোধ পান্ডার গাড়িতে এমপি স্টিকার থাকার অজুহাতে বিক্ষোভ শাসক দলের কর্মীদের।

সকাল ৯.০০টা- প্রতিবন্ধী ভোটারকে মারধরের অভিযোগ উঠল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রের পাণ্ডবেশ্বরের ডাঙ্গালপাড়ায় এক প্রতিবন্ধী ভোটার বুথে যাওয়ার পথে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। নিগৃহীতরা সকলেই সিপিআইএম সমর্থক বলে পরিচিত।

সকাল ৮.৪৫টা- গড়বেতার জুনসোল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১০২ ও ১০৩ নম্বর বুথে ভোটারদের ভয় দেখানো ও বুথ জ্যামের অভিযোগ উঠেছে।

সকাল ৮.৪৫টা- প্রশ্নের মুখে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকাও। নারায়ণগড়, কেশিয়ারি, মোহনপুর এবং দাঁতনের একাধিক এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী পৌছয়নি বলে অভিযোগ।

সকাল ৮.৪০টা- বুথের ভিতর সব দলের এজেন্ট রয়েছে। কিন্তু কোনও এজেন্টেরই পরিচয়পত্র নেই। ঘটনা ঝাড়গ্রামের নেতাজি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। কিন্তু পরিচয়পত্র থাকা বাধ্যতামূলক হলেও কেন এজেন্টদের সঙ্গে নেই পরিচয়পত্র? প্রশ্ন করা হয়েছিল প্রিসাইডিং অফিসারকে। কিন্তু প্রিসাইডিং অফিসার কোনও উত্তর দিতে পারেননি।

সকাল ৯.৩৫টা- বয়সটা একশো অতিক্রম করেছে অনেক আগেই। তবে বয়স ভোটদানে বাধা নয় পুরুলিয়ার ব্রজকিশোর চৌধুরীর। ১০৪ বছর বয়সেও পুরুলিয়ার গভর্নমেন্ট হাইস্কুলের বুথে নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করলেন তিনি। (ছবিতে)

সকাল ৮.৩০টা- রানিগঞ্জের ২৪২ নম্বর বুথে বিজেপির পোলিং এজেন্ট রাজা মুখার্জিকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে।

সকাল ৮.২০টা- সিপিআইএম এজেন্টকে অপহরণের অভিযোগ উঠল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। আসানসোলের লোকসভা কেন্দ্রে জামুড়িয়ায় ২৩৫ নম্বর বুথের সিপিআইএম এজেন্ট অঙ্গদ বাউড়িকে সকাল থেকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তাঁকে তৃণমূল কর্মীরা তুলে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ সিপিআইএমের।

BREAKING NEWS-ঝাড়খন্ড থেকে গ্রেফতার নেতাইকাণ্ডে অভিযুক্ত অনুজ পান্ডে।

সকাল ৮.২০- তৃতীয় দফার ভোটের মতোই চতুর্থ দফাতেও ভোটশুরুর পর থেকে আসছে সন্ত্রাসের খবর। পশ্চিম মেদিনীপুরের পাটপুরের ১৮৪ নম্বর বুথ থেকে সিপিআইএম এজেন্টকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে।

সকাল ৭.৫০টা -ভোটকক্ষের পাশে দাঁড়িয়ে কোথায় ভোট পড়ছে তাতে লক্ষ্য রাখা। এভাবেই ভোটারদের ওপর মানসিক চাপসৃষ্টির অভিযোগ উঠল তৃণমূল এজেন্টের বিরুদ্ধে। বিষ্ণুপুর লোকসভা কেন্দ্রের খণ্ডঘোষে ঘটনাটি ঘটেছে। কলেমপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৪৩ নম্বর বুথে ভোটকক্ষের পাশে দাঁড়িয়েই ইভিএমে নজর রাখছিলেন শাসকদলের এজেন্ট। যা সম্পূর্ণ আইনবিরুদ্ধ। যদিও, প্রিসাইডিং অফিসার তাঁকে বাধা দেননি।

সকাল থেকেই বুথে বুথে ভোটারদের লম্বা লাইন৷ ভোট ঘিরে কড়া নিরাপত্তা৷ মোতায়েন করা হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী৷

সকাল ৭টা- আসানসোলে ভোটগ্রহণ শুরু। ভাগ্যনির্ধারিত হচ্ছে বাবুল সুপ্রিয়,দোলা সেন, বংশগোপাল চৌধুরীর।

সকাল ৬টা- ভোট শুরু পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বিষ্ণুপুর, মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামে। ভাগ্য নির্ধারিত হচ্ছে মুনমুন সেন, সন্ধ্যা রায়ের মতো রাজনীতিতে আনকোরা তারকা প্রার্থীদের।

আক্রান্ত সিপিআইএম কর্মী (ছবিতে)



First Published: Wednesday, May 7, 2014 - 08:37


comments powered by Disqus