আধুনিক মহিলাদের জীবনে বেড়ে চলেছে জরায়ু সিস্টের প্রবণতা

মুখমণ্ডলে অবাঞ্ছিত লোম, অ্যাকনে, অনিয়মিত ঋতুস্রাব-অধিকাংশ আধুনিক মহিলাদের জীবনেই সমস্যাগুলো কমবেশি করে দেখা দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে এর মূল কারণ, ভারতীয় মহিলাদের মধ্যে উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম।

Updated: Oct 29, 2013, 12:01 AM IST

মুখমণ্ডলে অবাঞ্ছিত লোম, অ্যাকনে, অনিয়মিত ঋতুস্রাব-অধিকাংশ আধুনিক মহিলাদের জীবনেই সমস্যাগুলো কমবেশি করে দেখা দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে এর মূল কারণ, ভারতীয় মহিলাদের মধ্যে উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম।
অধিকাংশ মহিলাদের জরায়ুতেই ধরা পড়ছে একাধিক সিস্ট। যদিও চিকিত্সকরা এখনও এর প্রকৃত কারণ জানাতে পারেননি। অনেকেই মনে করেন জরায়ুর সিস্ট বংশগত ব্যাপার। চিকিত্সকরা জানাচ্ছেন প্রায় ৩০-৪০ শতাংশ টিনএজারদের মধ্যে জরায়ুতে একাধিক সিস্টের সমস্যা দেখা যাচ্ছে। এই সমস্যার দুটি সবথেকে বড় ফল বন্ধ্যাত্ব ও অতিরিক্ত মেদবহুল শরীর। পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোমে আক্রান্ত ৪০ থেকে ৬০ শতাংশ মহিলাদের মধ্যে শরীরে অতিরিক্ত মেদ জমার প্রবণতা দেখা গেছে। যার থেকে ডায়বেটিস, রক্তে উচ্চ কলেস্টেরল মাত্রা ও জরায়ুর ক্যানসারের মত অসুখেও আক্রান্ত হচ্ছেন মহিলারা।
সমীক্ষা বলছে সারা বিশ্বের ৪ থেকে ১১ শতাংশ মহিলাদের মধ্যে জরায়ুতে সিস্টের প্রবণতা পাওয়া গেছে। যদিও গ্রামের দিকে এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা কম, প্রায় ৩০ শতাংশ শহুরে মহিলা এই অসুখে আক্রান্ত। ম্যাক্স হাসপাতালের স্ত্রীরোগ বিভাগের চিকিত্সক অনিতা তিওয়ারি জানালেন, "ভারতে এই অবস্থার শিকার হওয়া মহিলাদের মধ্যে ৫০ শতাংশ এখনও বয়ঃসন্ধি পেরোয়নি।"