চলছে তদন্ত, তবুও মিলছে না অঙ্ক!

চলছে তদন্ত, তবুও মিলছে না অঙ্ক!

আবেশের মৃত্যু রহস্যের চাবিকাঠি কী এখনও লুকিয়ে সানি পার্কেই?  দফায় দফায় ঘটনাস্থল ঘুরে তথ্য প্রমাণ সংগ্রহ করছে পুলিস। খোঁজ চলছে নিরপেক্ষ প্রত্যক্ষদর্শীর। মৃত্যুর পর কেটে গেছে চার- চারটে দিন। দুর্ঘটনা না খুন? কাটছে না ধোঁয়াশা। আবেশ মৃত্যু রহস্য জাল কাটাতে পারিপার্শ্বিক তথ্য প্রমাণকে পাখির চোখ করছেন তদন্তকারীরা।

নরেন্দ্র মোদীকেই এবার বঞ্চনার কথা জানালেন মমতা নরেন্দ্র মোদীকেই এবার বঞ্চনার কথা জানালেন মমতা

নরেন্দ্র মোদী সরকার ও আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়ালের মধ্যে বিরোধে কেজরির পাশেই দাঁড়ালেন মমতা। তাঁর বক্তব্য, রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে মতবিরোধ থাকতেই পারে। তবে একে অপরকে সম্মান করা উচিত। আজ দিল্লিতে কেজরির বাসভবনে যান মমতা। সেখানে দুজনের মধ্যে প্রায় একঘণ্টা কথা হয়। পাঞ্জাব বিধানসভা ভোটে আপকেই সমর্থন করবে তৃণমূল , জানিয়েছেন মমতা। একইসঙ্গে তিনি জানান, কেজরিওয়ালের সঙ্গে তাঁর একাধিক বিষয়ে কথা হয়েছে। দেশের ফেডেরাল কাঠামোকে শক্তিশালী করার জন্য এক সঙ্গে কাজ করবেন তাঁরা। এদিকে আজই নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দেখা করে  সরাসরি প্রধানমন্ত্রীকেই কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগ জানিয়ে এলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের ঋণ মকুব, বন্ধ কেন্দ্রীয় অনুদান  চালু সহ একগুচ্ছ দাবি রাখলেন মোদীর সামনে। 

সিন্ডিকেট রাজ রুখতে নতুন ব্যবস্থা মুখ্যমন্ত্রীর সিন্ডিকেট রাজ রুখতে নতুন ব্যবস্থা মুখ্যমন্ত্রীর

অভিযোগের অপেক্ষা। সঙ্গে সঙ্গে অ্যাকশন। সিন্ডিকেট-তোলাবাজি বিতর্কে এবার আরও সক্রিয় প্রশাসন। কড়া মুখ্যমন্ত্রী। শুধু এনিয়ে জমা পড়া অভিযোগ সামলাতে CMO-তে নিয়োগ করা হচ্ছে, একজন অ্যাডিশনাল এসপি পদের অফিসারকে। অভিযোগ বাছাই করে, গুরুত্ব অনুযায়ী নেওয়া হবে চটজলদি ব্যবস্থা। সিন্ডিকেট-বিতর্ক বহুদিনের। অপেক্ষা ছিল অ্যাকশনের। তা শুরু হতেই যেন খুলে গিয়েছে প্যান্ডোরা বক্স।  

বৈষম্যমূলক আচরণ করছে রাজ্য সরকার, অভিযোগে সরব মান্নান-সুজন জুটি বৈষম্যমূলক আচরণ করছে রাজ্য সরকার, অভিযোগে সরব মান্নান-সুজন জুটি

বিরোধী দলের বিধায়কদের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ করছে রাজ্য সরকার। অভিযোগ করলেন বিরোধী দলনেতা আবদুল মান্নান  ও বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তী। এবিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠিও দিয়েছেন মান্নান। 

যে সিরিঞ্জটা আপনার শরীরে ফোটানো হল সেটা আদৌ নতুন নয়! যে সিরিঞ্জটা আপনার শরীরে ফোটানো হল সেটা আদৌ নতুন নয়!

সাধারণ রক্ত পরীক্ষা হোক বা টিটেনাস ইঞ্জেকশন, হরদমই আমাদের শরীরের ফোটানো হচ্ছে সিরিঞ্জ। কিন্তু তারপর কী হচ্ছে সেই সিরিঞ্জের? নিয়ম মেনে ফেলে দেওয়া হচ্ছে সেগুলি? নাকি আবার ফিরে আসছে ব্যবহার জন্য? কী চলছে এ শহরে?

নারদ তদন্তে আবার নয়া প্রশ্ন! নারদ তদন্তে আবার নয়া প্রশ্ন!

হাইকোর্টে যখন মামলা চলছে, তখন আলাদা করে আবার তদন্ত কেন? নারদ স্টিংকাণ্ডে মন্তব্য করলেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।

আবেশ মৃত্যু রহস্য সমাধানে বন্ধুদের স্যোশাল মিডিয়া পোস্টের ওপর নজর পুলিসের আবেশ মৃত্যু রহস্য সমাধানে বন্ধুদের স্যোশাল মিডিয়া পোস্টের ওপর নজর পুলিসের

আবেশ মৃত্যু রহস্য ভেদ করতে বন্ধুদের স্যোশাল মিডিয়া পোস্টের ওপর নজর দিচ্ছে পুলিস। তদন্তকারীদের ভাবাচ্ছে সন্দেহভাজন ব্যবসায়ী পুত্রের একটি পোস্ট। শনিবার ৬টা ২৪ মিনিট নাগাদ পোস্টটি করে ওই কিশোর। পোস্টের সময় আরও বেশি ভাবাচ্ছে পুলিসকে। লেখক অমিত চৌধুরীর বয়ান অনুযায়ী সেদিন ছটা দশ মিনিট নাগাদ তাঁর ড্রাইভার আবেশকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। তারপরই আবেশকে হাসপাতালে নিয়ে যান তিনি। পুলিসকে ভাবাচ্ছে, রক্তাক্ত অবস্থায় বন্ধুকে পড়ে থাকতে দেখার পরও কী করে নির্বিকার রইল ওই কিশোর? কী করে ফেসবুকে বন্ধুর পোস্ট শেয়ার করার মতো মানসিক অবস্থায় রইল সে।

মৃত্যুপথযাত্রী মাধুরীকে নতুন জীবন দিলেন সমর মৃত্যুপথযাত্রী মাধুরীকে নতুন জীবন দিলেন সমর

আবার ব্রেন ডেথের পর অঙ্গদান। শোভনা সরকারের পর এবার সচেতন কলকাতার মুখ সমর চক্রবর্তী। তাঁর লিভারে নতুন জীবন পেতে চলেছেন হাওড়ার শিবপুরের বাসিন্দা ৪৫ বছরের মাধুরী সাহা। সিরোসিস অফ লিভারের শিকার তিনি। এক বছর ধরে লিভার প্রতিস্থাপনের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। মৃত্যুপথযাত্রী মাধুরীকে নতুন জীবন দিলেন সমর।

আবেশের মৃত্যু তদন্তে প্রভাবশালীদের চাপ, 'স্বীকারোক্তি' পুলিসের একাংশেরই আবেশের মৃত্যু তদন্তে প্রভাবশালীদের চাপ, 'স্বীকারোক্তি' পুলিসের একাংশেরই

সানি পার্ককাণ্ডে প্রথম থেকেই নাম জড়িয়েছে সমাজের প্রভাবশালী  পরিবারের সন্তানদের। তদন্ত যাতে সঠিক পথে না এগোয় সেজন্য  চাপ সৃষ্টি করতে পারেন প্রভাবশালীরা। আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন আবেশের মা। তাঁর আশঙ্কাই সত্যি হল।  তদন্ত শুরুর পর সত্যি সত্যিই চাপ আসতে শুরু করে, বলছে পুলিসের একটি সূত্র।

আবারও ব্রেন ডেথের পর অঙ্গদান, এ বার সচেতন শহরের মুখ সমর চক্রবর্তী আবারও ব্রেন ডেথের পর অঙ্গদান, এ বার সচেতন শহরের মুখ সমর চক্রবর্তী

দমদমের বাসিন্দা সমর চক্রবর্তী পেশায় ছিলেন ব্যবসায়ী। দীর্ঘ অসুস্থতাকেড়ে নিয়েছিল তাঁর স্বাভাবিক কর্মদক্ষতা। শুধু কেড়ে নিতে পারেনি মুখের হাসি। পাড়ার লোকেরা বলছেন, সকলের সঙ্গে সহজেই মিশে যেতে পারতেন সমরবাবু। মৃত্যুর পর তাঁর অঙ্গ আরেকজনকে দেবে নতুন জীবন। এ কথা জেনে দুঃখের দিনেও খুশি দমদমের শরত্‍ বসু রোডের বাসিন্দারা।

পর্বত অভিযাত্রীদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তার স্বার্থে রাজ্য সরকারের নতুন নির্দেশিকা পর্বত অভিযাত্রীদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তার স্বার্থে রাজ্য সরকারের নতুন নির্দেশিকা

পর্বত অভিযাত্রীদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তার স্বার্থে নতুন বিধি ও নির্দেশিকা জারির সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। তাতে বলা হয়েছে, ইচ্ছুক অভিযাত্রীর বয়স পঞ্চাশ বছরের নীচে হতে হবে। মাউন্ট এভারেস্ট বা আট হাজার মিটারের বেশি উচ্চতাসম্পন্ন যে কোনও শৃঙ্গ অভিযানে যেতে হলে, ছ-হাজার মিটার উচ্চতা সম্পন্ন অন্তত চারটি শৃঙ্গ জয়ের অভিজ্ঞতা থাকতেই হবে।

বিচার চেয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় 'Justice for Aabesh' বিচার চেয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় 'Justice for Aabesh'

জাস্টিস ফর আবেশ। আবেশের মৃত্যুর সঠিক বিচার চাই। সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া। সরব নাগরিক সমাজ। আবেশের  মায়ের পাশে অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। সুবিচারের দাবি জানাচ্ছে আবেশের বন্ধুরাও।  

আবার অঙ্গ দান কলকাতায়, এবার সৌজন্যে সমর চক্রবর্তী আবার অঙ্গ দান কলকাতায়, এবার সৌজন্যে সমর চক্রবর্তী

আবারও ব্রেন ডেথের পর অঙ্গদান। শোভনা সরকারের পর এ বার সচেতন কলকাতার মুখ সমর চক্রবর্তী।

আবার অঙ্গ দান কলকাতায়, সৌজন্যে সমর চক্রবর্তী আবার অঙ্গ দান কলকাতায়, সৌজন্যে সমর চক্রবর্তী

আবারও ব্রেন ডেথের পর অঙ্গদান। শোভনা সরকারের পর এ বার সচেতন কলকাতার মুখ সমর চক্রবর্তী।

নিছক মদের বোতলের ওপর পড়ে গিয়েই যদি আবেশের মৃত্যু হয়ে থাকে, তাহলে এত গোপনীয়তা কেন? নিছক মদের বোতলের ওপর পড়ে গিয়েই যদি আবেশের মৃত্যু হয়ে থাকে, তাহলে এত গোপনীয়তা কেন?

বালিগঞ্জে সানি পার্কের ঘটনায় সন্দেহের তালিকায় আবেশের এক বন্ধু। ওই কিশোরের রসা রোডের বাড়িতে তালা। বেপাত্তা গোটা পরিবার। প্রশ্ন উঠছে, আবেশের মৃত্যু যদি দুর্ঘটনাতেই হয়, তাহলে এত গোপনীয়তা কেন?

এবার তোলাবাজির অভিযোগ রাজারহাটের তৃণমূল নেতা তাপস চ্যাটার্জির বিরুদ্ধে এবার তোলাবাজির অভিযোগ রাজারহাটের তৃণমূল নেতা তাপস চ্যাটার্জির বিরুদ্ধে

এবার তোলাবাজির অভিযোগ রাজারহাটের তৃণমূল নেতা তাপস চ্যাটার্জির বিরুদ্ধে। তাঁর বিরুদ্ধে বিধাননগর পুলিস কমিশরাটে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। অভিযোগ জানানো হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর দফতরেও। মারধর এমনকি পুড়িয়ে মারার চেষ্টার অভিযোগ করা হয়েছে দাপুটে তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি।