সনাক্ত করা হল ১৭ জনের দেহ

Update: February 27, 2013 14:17 IST

জগত্ সিনেমার পাশে সূর্য সেন মার্কেটে ভোর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড কেড়ে নিয়েছে ১৯টি প্রাণ। দেহগুলি ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ের কলকাতা পুলিস মর্গে। এখনও পর্যন্ত মধ্যে ১৭ জনের দেহ সনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে।

যাঁদের দেহ সনাক্ত হয়েছে তাঁরা হলেন,

জ্যোত্স্না সাহা, বাড়ি-মুচিপাড়া, বয়স-৭৫
লালচাঁদ পুরকাইত, বাড়ি-মথুরাপুর, বয়স-২৬
মিঠুন জানা, বাড়ি-কাঁথি, বয়স-২৮
চেতলাল যাদব, বাড়ি-গিরিডি, ঝাড়খণ্ড, বয়স-৩৪
তুকলাল রবিদাস, বাড়ি-ভারজু, ঝাড়খণ্ড
ভিকি রবিদাস, বাড়ি-ভারজু, ঝাড়খণ্ড, বয়স-৫০
আজিজুল গাজি, বাড়ি-রাধাবল্লভপুর, দঃ ২৪ পরগনা, বয়স-২৫
মহম্মদ মোতালির আলি, বাড়ি-রায়দিঘি, বয়স-২৬
জগদীশ রবিদাস, বাড়ি-মুচিপাড়া, কলকাতা, বয়স-৬৫
রতন পোদ্দার, বাড়ি-তাহেরপুর, নদিয়া, বয়স-২৬
পলাশ মণ্ডল, বাড়ি-তেহট্ট, নদিয়া, বয়স-২৪
রাধাগোবিন্দ পোদ্দার, বাড়ি-তাহেরপুর, বয়স-৬০
গোঁসাই পাল, বাড়ি-হাবড়া, বয়স-৩২
গোবিন্দ কর্মকার, বাড়ি-বেলঘড়িয়া
জিতেন্দ্র শর্মা, বাড়ি-নওয়াদা, বিহার
অর্জুন ধর, বাড়ি-দমদম, বয়স-৩০
অরুণ ভৌমিক


মৃত দু'জনের পরিচয় জানা যায়নি। ময়নাতদন্তের পর ১৪ জনের দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। বাকি ৩ জনের পরিবারের লোক এখনও এসে পৌঁছননি। আজকের মত দেহ তুলে দেওয়ার কাজ শেষ। আবার আগামিকাল মৃতদের পরিবারের হাতে দেহ তুলে দেওয়া হবে।

প্রতীক্ষায় মর্গে

জতুগৃহে কান্না






Post Your Comment

Total Comments:5

I AM A REGULAR VIEWER And News Followers Of Your Broadcasting! But Extramural Deprived By Today`s Status Not getting ``BENGALI`` SCREEPTS of Today`s UPDATES!

A great fire have been happened in multi store building at surya sen street. 20nos peoples have given their dearth. This type event are seeing in kolkata frequently. Whose people will take responcibility for this fire.I think for this is liability in ruling government.They talk in rally about the security of peoples.eversince how much event are being doing in West Bengal and one and only they can give declear that dead person will get Rs.2lacs and Rs.50000 as injured person.It is a solution. No devlovment in infracture of building, not cheeking in building that here is what. Politic destroy in West Bengal

A great fire have been happened in multi store building at surya sen street. 20nos peoples have given their dearth. This type event are seeing in kolkata frequently. Whose people will take responcibility for this fire.I think for this is liability in ruling government.They talk in rally about the security of peoples.eversince how much event are being doing in West Bengal and one and only they can give declear that dead person will get Rs.2lacs and Rs.50000 as injured person.It is a solution. No devlovment in infracture of building, not cheeking in building that here is what. Politic destroy in West Bengal

Obiram mrityumichil ei ki amader kamyo? prosashon to sudhu kagozer upor kichu lekha matro. Sei 2009 thekey arombho hoyeche kobey thambey?!? ajachito manush hotyer upor bhor korey ekti nikristo-maner doler dwara porichalito sarkar jekhaney mithyer upor dariye achey sofol kajer asfalon. Durnitir upor dariye achey sustho jiboner mandondo, jader mrityu holo tara ki ekhono biswas koren tara mrito..hai! etao hoyto lekha hobey...CPMer chokranto...dhik soto dhik!!!...mritoder proti amar srodha

very sad....................

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।