বাতানুকূল যন্ত্রে বিস্ফোরণ; মৃত এক

Update: December 8, 2012 21:45 IST

বেঙ্গল চেম্বার অফ কমার্সের দফতরে বাতানুকূল যন্ত্রে বিস্ফোরণে মৃত্যু হল এক ঠিকাকর্মীর। মৃতের নাম শেন্টু মজুমদার। আহত আরও একজন হাসপাতালে ভর্তি। এই দুজনই বণিকসভার এসি প্ল্যান্টে সারাইয়ের কাজ করছিলেন। সেই সময় দুর্ঘটনাটি ঘটে। ডালহৌসিতে বেঙ্গল চেম্বার অফ কমার্সের দফতরে বিকল ছিল বাতানুকূল যন্ত্র । বিকল যন্ত্র সারাতে শনিবার বিকেলে দুজন কাজ করছিলেন সংস্থার এসি প্ল্যান্টে।

শেন্টু মজুমদার এবং মহম্মদ জসিম, দুই কর্মীই উত্তর চব্বিশ পরগনার খড়দহের বাসিন্দা। আচমকাই বিকল হয়ে যাওয়া বাতানুকূল যন্ত্রের কম্প্রেসর ফেটে যায়। বিস্ফোরণে গুরুতর জখম হন ওই দুজন। মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিত্সকেরা শেন্টু মজুমদারকে মৃত ঘোষণা করেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিত্সাধীন মহম্মদ জসিম। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিস। জানা গেছে, বিস্ফোরণের পর ওই বিকল যন্ত্র থেকে বিষাক্ত অ্যামোনিয়া গ্যাস বেরোতে থাকে । ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে দমকল।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।