এবার থেকে জানা যাবে ১২০ ঘণ্টার আগাম পূর্বাভাস

Update: March 20, 2013 23:00 IST

এখন আবহওয়া দফতর দেয় ৭২ ঘণ্টার আগাম পূর্বাভাস। ২৩ শে মার্চ, বিশ্ব আবহাওয়া দিবস থেকে শুরু হবে ১২০ ঘণ্টার আগাম পূর্বাভাস দেওয়ার কাজ। রাজ্য জুড়ে পঞ্চাশটি স্বয়ংক্রিয় আবহাওয়া পর্যবেক্ষন কেন্দ্র স্থাপন করেছে আবহাওয়া দফতর। এর মধ্যে ২৮টি বায়ুমন্ডলের পরিস্থিতি জানার জন্য আর ২২ টি বৃষ্টিপাতের পরিমাণ মাপার জন্য। এই পঞ্চাশের ভরসায় আগামী ২৩ মার্চ থেকে পাঁচ দিনের আগাম পূর্বাভাস দেবে আবহাওয়া দফতর।  

 প্রাথমিক ভাবে কলকাতা সহ দক্ষিনবঙ্গের পাঁচটি জেলা এবং উত্তরবঙ্গের তিনটি জেলার ক্ষেত্রে পাঁচ দিনের পূর্বাভাস দেবে আবহাওয়া দফতর। কিন্তু ৭২ ঘন্টার পূর্বাভাসই বেশির ভাগ সময় মেলে না, সেখানে পাঁচ দিনের পূর্বাভাস কি মিলবে?






Post Your Comment

Total Comments:1

as a disaster risk reduction official, I should say that it is a good effort by the IMD. best wishes.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।