বিমান বন্দরের নয়া টার্মিনাল উদ্বোধনেও `আমরা-ওরার` রাজনীতি

আজ কলকাতা বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালের উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি। থাকবেন রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রী। তবে, অসামরিক বিমান পরিবহণের দায়িত্বে থাকা পরিবহণ, পর্যটন ও সংস্কৃতি সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান সীতারাম ইয়েচুরিকে আমন্ত্রণ জানায়নি রাজ্য সরকার। ফলে, উন্নয়ন প্রকল্পেও নতুন করে আমরা-ওরার রাজনীতির অভিযোগ উঠেছে।

Updated By: Jan 20, 2013, 09:01 AM IST

আজ কলকাতা বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালের উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি। থাকবেন রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রী। তবে, অসামরিক বিমান পরিবহণের দায়িত্বে থাকা পরিবহণ, পর্যটন ও সংস্কৃতি সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান সীতারাম ইয়েচুরিকে আমন্ত্রণ জানায়নি রাজ্য সরকার। ফলে, উন্নয়ন প্রকল্পেও নতুন করে আমরা-ওরার রাজনীতির অভিযোগ উঠেছে।
কলকাতা বিমানবন্দরের আধুনিকীকরণের দায়িত্ব কোন সংস্থাকে দেওয়া হবে এ নিয়ে গোড়ার দিকে রীতিমতো টানাপোড়েন চলে। দেশের অন্যান্য বিমানবন্দর আধুনিকীকরণের দায়িত্ব দেওয়া হয় বেসরকারি সংস্থাগুলিকে। তবে বামেদের উদ্যোগেই কলকাতা বিমানবন্দরের আধুনিকীকরণের দায়িত্ব পায় রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা এয়ারপোর্ট অথিরিটি অফ ইন্ডিয়া।  এ রাজ্যে বামফ্রন্ট সরকারের আমলে দুহাজার আট সালে এই প্রকল্পের সূচনা হয়। পরিবহণ, পর্যটন ও সংস্কৃতি সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান হিসাবে ওই অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন সীতারাম ইয়েচুরি। এই স্থায়ী কমিটিই অসামরিক বিমান পরিবহণের বিষয়টি দেখে।
প্রকল্প শেষের সময়সীমা একাধিকবার পিছনোর পর অবশেষে আজ উদ্বোধন হবে নতুন টার্মিনালের। যদিও, অপারেশনাল ট্রায়াল হবে ২৩ জানুয়ারি। এয়ারপোর্ট অ্যাডভাইসরি কমিটির চেয়ারম্যান সৌগত রায় জানিয়েছেন, এই প্রকল্পে খরচ হয়েছে ২৩ হাজার কোটি টাকা। এছাড়া খুব শিগগরিই নতুন এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল টাওয়ার গড়ার কাজও শুরু হবে। এজন্য কেন্দ্র বরাদ্দ করেছে দুশো চল্লিশ কোটি টাকা। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের আশা, নতুন টার্মিনাল চালু হলে ব্যবসা বাড়াতে উদ্যোগী হবে মালয়েশিয়া, ইয়েমেন, তুর্কি, জাপান, দুবাইয়ের বিমান সংস্থাগুলি। নতুন টার্মিনালের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পরিবহণ, পর্যটন এবং সংস্কৃতি সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান সীতারাম ইয়েচুরিকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে এয়ারপোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়া। কিন্তু, রাজ্য সরকারের তরফে তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।
রাজনৈতিক মহলের ধারণা, উন্নয়ন প্রকল্পের কৃতিত্ব বামেদের দিতে না চাওয়ার কারণেই এক্ষেত্রেও বজায় থাকল আমরা-ওরার রাজনীতি।

.