অবশেষে জামিন পেলেন আরাবুল, দল ত্যাগ নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে

Update: February 28, 2013 19:31 IST

তেতাল্লিশ দিন পর অবশেষে শর্তাধীন জামিনে ছাড়া পেলেন  বামনঘাটায় সিপিআইএম কর্মীদের বাসে হামলায় মূল অভিযুক্ত, তৃণমূল নেতা আরাবুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার দশ হাজার টাকার বন্ডে, আরাবুলের শর্তাধীন জামিন মঞ্জুর করেছে আলিপুর জজ কোর্ট। এরপরে কি দলও ছাড়বেন তিনি? ঘনিষ্ঠদের নাকি তেমনই ইচ্ছের কথা জানিয়েছেন ভাঙড়ের প্রাক্তণ তৃণমূল বিধায়ক। 

আদালতের সাড়ে তিন পাতার অর্ডার শিটে বলা হয়েছে- চিকিত্সার প্রয়োজন ছাড়া কলকাতা লেদার কমপ্লেক্স থানা এলাকায় ঢুকতে পারবেন না আরাবুল ইসলাম।

ভাঙড়ের কাশীপুর থানা এলাকায় বাড়ি এই তৃণমূল নেতার। স্থানীয় থানা এবং তদন্তকারী অফিসারের অনুমতি ছাড়া অন্য কোনও থানা এলাকাতেও যেতে পারবেন না আরাবুল।

এর আগে চারবার আলিপুর জজ কোর্টে খারিজ হয় আরাবুল ইসলামের জামিনের আবেদন। ভাঙড়ের তৃণমূল নেতার জামিনের আবেদন খারিজ করেছিল বারুইপুর আদালতও।

বামনঘাটা কাণ্ডের পরে পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছিল দল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দলকে পাশে পাননি প্রাক্তন বিধায়ক। সে জন্য জেলে বসেই ঘনিষ্ঠদের কাছে ক্ষোভও প্রকাশ করেন আরাবুল। দূরত্ব বজায় রাখতেই ভাঙড়ে মুখ্যমন্ত্রীর জনসভার ব্যানারে থাকা আরাবুলের নাম কালি দিয়ে মুছে দেওয়া হয়েছিল। আইনি লড়াইটা লড়েছেন দলেরই এক আইনজীবী নেতা। কিন্তু জেলের চার দেওয়ালের মধ্যে বসেই নাকি ঘনিষ্টদের কাছে দল ছাড়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন ভাঙড়ের দোর্দন্ডপ্রতাপ নেতা আরাবুল ইসলাম। শুক্রবার আলিপুর সেন্ট্রাল জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পরেই হয়তো সে ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন আরাবুল।
 

 

Post Your Comment

Total Comments:5

jamin peye gelo janoarta iss ...dol charte hobena puro dunia char

guru venge porcho keno,didi thik vai madon k tomar kache pathbe,tumi daler juboder keche enerjee,rag koro na guru,panchayet ta utre dao,ebar tomay presidet collage er mentor group er ek jon sadasya kore deben nischoi...

tmc:``ghar theke vut ta nebe gele beche jatam``

We are waiting for future.

এই নাহলে নেতা

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।