আরাবুলের জামিন খারিজ

Update: February 20, 2013 19:46 IST

ভাঙড়কাণ্ডে আরাবুল ইসলামের জামিনের আর্জি আজ খারিজ হয়ে গেল আলিপুর আদালতে। আরাবুলের জেল হেফাজতে থাকার মত যথেষ্ট তথ্যপ্রমাণ রয়েছে বলে জানিয়ে দেন বিচারক।

এর আগে বুকে ব্যথা নিয়ে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি হন আরাবুল। তবে মেডিক্যাল রিপোর্টে বুকে ব্যথার প্রমাণ পাননি চিকিত্‍সকেরা। এরপর মানসিক রোগের চিকিত্‍সার কারণে তাঁকে হাসপাতালেই রেখে দেওয়া হয়। অবশেষে ফিট সার্টিফিকেট দেওয়ায় আরাবুলকে ফেরত পাঠানো হয় আলিপুর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে।

Post Your Comment

Total Comments:8

আরাবুলের বুকে ব্যাথা নতুন কিছু নয়। জনগণের বন্ধুদের বুকে ব্যাথা থাকেই। চিকিৎসকরা জননেতার ব্যাথার চিকিৎস্যার অজ্ঞতা মানুন।

like our CM TMC supporters now realise that except banning the CPM party and arresting all the leaders of CPM there is no hope of TMC

Expecting good governance from Mamta is simply unthinkable. She has betrayed the trust that was reposed in her by the voters of Bengal and now it is only the judiciary and few self respecting bureaucrats who can do something. All such criminals must be given swift and harsh punishments.

Eta -ke Bole Raj Dharma . !!!!!!!!! TMC Jomanay Lakhan Seth , Sushanta Ghosh (Konkal), Majid Master , Goutam Deb,Rigging Deb , Mrs. Surjakanta , Tapan Sukur Dipak ,Rojjak Molla era sab baire mosti korche , aar Aarabul bhitore . Poribortan kore nijeder-i Bansh holo . 34 bachorer kono bichar hobe na .

Etai Raj Dharma - Didi chaliye jaan . TMC - Jamanay , Lakhan Seth , Sushanto Ghosh , Majid Master , Goutam Deb , Rigging Deb , Mrs. Surjakanta , Rajjak Molla - Tapan Sukur Deepak sobai Baire Mosti korche aar Arabul Vitore . Chakri Pabe Medha aar Jh

আমার চুলবুল সোনা । আহারে মুখটা এক্কেবারে শুকিয়ে গিয়েছে...।

ARABUL TOMER PROYOJON DIDIR KACHE FURIA GECHE.

ARABUL SHOULD BE AWARDED DEATH SENTENCE

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।