আরাবুলের স্ত্রীকে জেলে ঢুকতে বাধা

Update: January 27, 2013 20:06 IST

অবশেষে আমাদের খবরের জেরে বন্দি আরাবুল ইসলামের প্রতি কড়া হল জেল কর্তৃপক্ষ। জেলে অবাধ প্রবেশের ক্ষেত্রে জারি হল সাধারণ বিধি নিষেধ। ঢুকতে গিয়ে বাধা পেলেন আরাবুল ইসলামের স্ত্রী এবং তৃণমূলের অন্য নেতারা। শনিবার দিনভর জেল হাসপাতালে বাড়তি সুবিধে পান আরাবুল ইসলাম। বিচারাধীন বন্দিরা সপ্তাহের নির্দিষ্ট তিন দিনই ঘনিষ্ঠদের সঙ্গে দেখা করতে পারেন।

অথচ নির্ধারিত দিন না হওয়া সত্ত্বেও শনিবার অবাধে দলীয় নেতাকর্মী এবং পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন আরাবুল। জেল সুপারকে অন্ধকারে রেখে বাড়তি এই সুবিধে করে দেন তৃণমূল সমর্থিত কারারক্ষী সমিতির নেতা ডেপুটি জেলার। সেই খবর সম্প্রচারিত হয় আমাদের চ্যানেল ও ওয়েবসাইটে। এবারে তাই আর ঝুঁকি নিতে চাননি আলিপুর সেন্ট্রাল জেলের কর্তৃপক্ষ। চাইলেই যে যেকোনও দিন বন্দির সঙ্গে দেখা করা যে সম্ভব নয়, তা জানিয়ে দেওয়া হয় পরিবার এবং তৃণমূলের নেতাদের। বলে দেওয়া হয়, জেলের নিয়ম মেনে আরাবুলের সঙ্গে দেখা করা যাবে একমাত্র সোম, বুধ এবং শুক্রবার। 

Post Your Comment

Total Comments:1

CHOBITE GOLAP FULTA KI DIDI PATHIACHE?

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।