কোলে মার্কেটে অরূপ রায়

Update: May 16, 2012 18:06 IST

কোলে মার্কেট পরিদর্শন করলেন কৃষি বিপণন মন্ত্রী অরূপ রায়। আলু, পেঁয়াজ-সহ সব্জি কিনতে গিয়ে ক্রেতাদের চড়া দাম দিতে হলেও, ফসলের ন্যায্য মূল্য পাচ্ছেন না কৃষকরা। কেন এমন অবস্থা তা খতিয়ে দেখতেই বুধবার পাইকারি বাজারে যান মন্ত্রী।

পাইকারি বাজারে জিনিসের দাম বাড়ার ফলেই ক্রেতাদের ওপর বাড়তি বোঝা চাপছে বলেই মনে করেন অরূপ রায়। পাইকারি বাজারের ব্যবসায়ীদের কৃষি দফতরের থেকে লাইসেন্স নিতে হয়। কিন্তু মন্ত্রীর মতে কোলে মার্কেটের ব্যবসায়ীদের সেই লাইসেন্স নেই। ব্যবসায়ীদের লাইসেন্স দেওয়ার জন্য কৃষি দফতরের তরফে শীঘ্রই একটি শিবিরের আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।