সারদার কর্ণধারকে গ্রেফতারের দাবি অসীম দাসগুপ্তর

যে আর্থিক সংস্থা তাদের কাজকর্ম বন্ধ করে দেওয়ায় ক্ষতির মুখে পড়েছেন অসংখ্য মানুষ, সেই সংস্থার কর্ণধারকে গ্রেফতারে দেরি হচ্ছে কেন। আজ সাংবাদিক বৈঠকে এই প্রশ্ন তুলেছেন রাজ্যের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী অসীম দাশগুপ্ত। একই সঙ্গে ওই সংস্থার সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার দাবিও জানিয়েছেন তিনি।  প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী বলেন, বাজেয়াপ্ত করা সম্পত্তি বিক্রি করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রক্রিয়া চালু করতে আদালতের কাছে আর্জি জানাক রাজ্য সরকার।

Updated: Apr 21, 2013, 06:26 PM IST

যে আর্থিক সংস্থা তাদের কাজকর্ম বন্ধ করে দেওয়ায় ক্ষতির মুখে পড়েছেন অসংখ্য মানুষ, সেই সংস্থার কর্ণধারকে গ্রেফতারে দেরি হচ্ছে কেন। আজ সাংবাদিক বৈঠকে এই প্রশ্ন তুলেছেন রাজ্যের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী অসীম দাশগুপ্ত। একই সঙ্গে ওই সংস্থার সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার দাবিও জানিয়েছেন তিনি।  প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী বলেন, বাজেয়াপ্ত করা সম্পত্তি বিক্রি করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রক্রিয়া চালু করতে আদালতের কাছে আর্জি জানাক রাজ্য সরকার।
এদিন তিনি বলেন, "এই ধরনের সংস্থার অনুমোদন দেয় কেন্দ্র। অনুমোদন প্রয়োজন রিজার্ভ ব্যাঙ্কের। সেবির অনুমোদনও দরকার।" সারদার মতো সংস্থার এই ধরণের কোনও অনুমতিই ছিল না বলে অভিযোগ করেছেন প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী।
বেআইনি চিটফান্ডের প্রতারণা আটকাতে অনেক আগেই পশ্চিমবঙ্গে কড়া আইন এনেছিল বামফ্রন্ট সরকার। কিন্তু বারবার তাগাদা দেওয়া সত্ত্বেও ওই আইনে রাষ্ট্রপতির অনুমোদন মেলেনি। বিধানসভার প্রাক্তন অধ্যক্ষ হাসিম আবদুল হালিম আজ এই অভিযোগ করেন। ওই আইনে প্রতারকের যাবজ্জীবন সাজার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন তিনি।