খুচরো নিয়ে বচসা, যাত্রীকে মারধর অটোচালকদের

Update: March 15, 2013 17:52 IST

ফের যাত্রী নিগ্রহের অভিযোগ উঠল অটো চালকের বিরুদ্ধে। ভাড়া নিয়ে বিবাদের জেরে মারধর করা হল এক যাত্রীকে। এ ঘটনা ঘটেছে নিমতা-বেলঘরিয়া রুটে। অভিযুক্ত অটোচালককে গ্রেফতার করেছে পুলিস।

কলকাতা এবং শহরতলির বিভিন্ন রুটে অটো চালকদের বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিকবার যাত্রী নিগ্রহের অভিযোগ উঠেছে। এধরনের ঘটনা বন্ধ করতে  একাধিক ব্যবস্থা নিয়েছে রাজ্য সরকার। চালু হয়েছে হেল্প লাইনও। কিন্তু এরপরেও যাত্রী হেনস্থার ঘটনা কমেনি। মাস দুয়েক আগে দমদম স্টেশনে অটো চালকদের হাতে আক্রান্ত হয়েছিলেন এক ব্যক্তি। শুক্রবারও ভাড়া নিয়ে বিবাদের জেরে মারধর করার অভিযোগ উঠল অটোচালকদের বিরুদ্ধে। এদিন দুপুরে নিমতা থেকে বেলঘরিয়া যাচ্ছিলেন শংকর রায়। খুচরো নিয়ে অটো চালকের সঙ্গে বচসা শুরু হয় তাঁর। বেলঘরিয়া পৌঁছনোর পর শংকর রায়কে অটোচালকরা ঘিরে ধরে মারধর করেন বলে অভিযোগ। গুরুতর জখম হন ওই যাত্রী।
 
পরে বেলঘরিয়া থানায় অটো চালকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। অভিযুক্ত অটো চালক সুখেন দাস ওরফে সুকুমারকে গ্রেফতার করেছে পুলিস।

Post Your Comment

Total Comments:1

AUTO DRIVER-DER ATYACHAR DIN KE DI BEREI CHOLECHHE . E BYAPARE PROSASAN JENEO KICHHU KORTE PARCHHE NA , KARON PROSASAN R AUTO UNION SARBODA EK RAJNOITIK DOLER. TAI E BYAPARE PUBLIC KEI EGIYE ASTE HOBE . ABOSYOI EKJOT HOYE.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।