অটো চালককে মারধর অ্যাসিস্ট্যান্ট পুলিস কমিশনারের!

Update: March 21, 2013 17:44 IST

অটো চালককে মারধরের অভিযোগ উঠল অ্যাসিস্ট্যান্ট পুলিস কমিশনারের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে লেকটাউন মোড়ে। চিকিত্‍সার জন্য আহত অটো চালককে আরজিকর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার পর দীর্ঘক্ষণ লেকটাউন মোড় অবরোধ করেন অটোচালকরা। অবিলম্বে দোষী পুলিস কমিশনারের শাস্তির ব্যবস্থা না করা হলে লেকটাউন উল্টোডাঙা রুটের অটো অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধেরও হুমকি দিয়েছেন চালকরা।

বৃহস্পতিবার সকালে লেকটাউন মোড়ে অটো থেকে যাত্রী নামাচ্ছিলেন এক অটো চালক। সেইসময় ওই রাস্তা দিয়ে অফিসে যাচ্ছিলেন বিধাননগর কমিশনারেটের গোয়েন্দা বিভাগের অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার অব পুলিস শান্তি দাস। অভিযোগ হঠাত্‍ই গাড়ি থেকে নেমে অটো চালকের কাছে কাগজপত্র দেখতে চান তিনি।  দেহরক্ষীদের নির্দেশ দেন অটো চালকে মারার। রাস্তায় ফেলে ওই অটো চালককে মারধর করেন পুলিস কর্মীরা। আহত অবস্থায় তাঁকে আরজিকর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

Post Your Comment

Total Comments:6

ছ্যা ছ্যা...

amader joto birotto, sotota sob sadharon manusher kache... ora na thakle amra nijeder ostwitto jahir kortam ki kore... ei sob nongramo bondho korar janyo ogonotantrik bhabe swasti hoa uchit police er....

অ্যাসিস্ট্যান্ট পুলিস কমিশনার ``পরেশ পালের`` আত্মীয় নয়তো !!!!!!!!!!!!

Abhabe. mar. dhor. kara. uchit. hoyni. bole. amar. mone. hoy. esob. onnay. attachar. kabe. bondho. habe. 9563028767

Jor jar muluk tar.

Jor jar muluk tar.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।