শ্লীলতাহানির ঘটনায় নিষ্ক্রিয় পুলিস, মানবাধিকার কমিশনের দ্বারস্থ নিগৃহীতা

Update: July 23, 2012 22:29 IST

ফের শ্লীলতাহানির ঘটনায় পুলিসের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ উঠল। ঋণের কিস্তি বাকি পড়ায় বরানগর থেকে ব্যাঙ্কের মাসলম্যানরা এক মহিলাকে তুলে নিয়ে গিয়ে গাড়িতে শ্লীলতাহানি করে বলে অভিযোগ। গত ১৩ জুন বরানগর থানায় অভিযোগ জানানো হয়েছিল। আক্রান্ত মহিলার অভিযোগ, একমাস ধরে পুলিস অভিযুক্তদের গ্রেফতারের চেষ্টাই করেনি। এমনকী, গত শুক্রবারই অভিযুক্তরা আগাম জামিনও পেয়ে যায়।   

বছর তিনেক আগে এক বেসরকারি ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নিয়ে গাড়ি কিনেছিলেন বরাহনগরের বাসিন্দা এই মহিলা। কয়েকটি কিস্তির টাকা বাকি পড়ায় ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মতান্তর হয় তাঁর। পরে ২৫ মে সমস্ত টাকা মিটিয়ে দেওযার বিষয়ে ব্যাঙ্কের সঙ্গে সমঝোতা করেন তিনি। মহিলার অভিযোগ, এরপরে গত বারোই জুন তাঁকে অপহরণ করে ব্যাঙ্কের মাসলম্যানরা। অভিযোগ, গাড়িতেই ওই মহিলাকে মারধর, শ্লীলতাহানি করা হয়। গাড়ি সহ ওই মহিলাকে নিয়ে যাওয়া হয় হুগলির ভদ্রেশ্বরে। সেখানে কেড়ে আনা গাড়িগুলির গুদাম রয়েছে। মহিলাকে সেই গুদামে আটকে রাখা হয়।

মহিলার এক আত্মীয়ের কাছ থেকে খবর পেয়ে তাঁকে উদ্ধার করে ভদ্রেশ্বর থানার পুলিস। অপহরণকারীদের বিরুদ্ধে বরাহনগর থানায় অভিযোগ জানাতে যান ওই মহিলা। প্রথমে বরাহনগর থানা ডায়রি নিতে চায়নি বলে অভিযোগ করেছেন ওই মহিলা। তিনি জোর করে শ্লীলতাহানির অভিযোগ দায়ের করেন। বরাহনগর থানার বিরুদ্ধে বারাকপুর কমিশনারেটে অভিযোগ করেছেন ওই মহিলা। মঙ্গলবার মানবাধিকার কমিশন ও মহিলা কমিশনে অভিযোগ দায়ের করবেন তিনি।
 





Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।