ভাঙড় জলসা কাণ্ড, সাসপেন্ড মীর তাহের আলি

Update: January 2, 2013 18:48 IST

ভাঙড় কাণ্ডে অস্বস্তিতে তৃণমূল। ড্যামেজ কন্ট্রোলে নেমে প্রথমে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেয়। পরিস্থিতি সামলাতে যদিও তড়িঘড়ি ব্যবস্থা নেওয়া হয় ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে। মীর তাহের আলি সহ অন্য তৃণমূল নেতাদের সাসপেন্ড করে তৃণমূলের শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটি। পাশাপাশি থানার অদূরে বিনা অনুমতিতে এমন একটি জলসা কী করে চলল। সেবিষয়ে ভাঙড় থানার কাছে জবাবদিহি চেয়েছে রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দফতর।

মঙ্গলবার রাতেই ভাঙড়ে দলের প্রতিষ্ঠাদিবসে বিতর্কিত বিচিত্রানুষ্ঠানের বিষয়ে জেনেছিলেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। শীর্ষ নেতৃত্বের হস্তক্ষেপেই বন্ধ হয়েছিল অনুষ্ঠান। ড্যামেজ কন্ট্রোলে ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আটচল্লিশ ঘণ্টার মধ্যে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছিলেন তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন। শেষপর্যন্ত যদিও বুধবার টুইটে ডেরেক ওব্রায়েন জানান ভাঙড়ে জলসার উদ্যোক্তা মীর তাহের আলি সহ অন্য তৃণমূল নেতা-কর্মীকে সাসপেন্ড করল তৃণমূল। দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির বৈঠকের পরে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে টুইটে জানান তিনি। অভিযুক্তদের বহিষ্কার করা হতে পারে বলেও টুইটে জানিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন। মীর তাহের আলির উদ্যোগেই ভাঙড় থানার সামনে বিনা অনুমতিতে জলসার আয়োজন করে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। ওই অনুষ্ঠানেই চলে উদ্দাম নাচ। এই ধরনের আচরণ কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না বলে মন্তব্য মুখ্যমন্ত্রীর। টুইটে এমনই জানিয়েছেন ডেরেক ওব্রায়েন।

ভাঙড় কাণ্ডে চাপের মুখে হলেও মীর তাহের আলি এবং তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিল তৃণমূল। কিন্তু প্রশ্ন হল পার্ক স্ট্রিট কাণ্ডে বিতর্কিত মন্তব্য করা সত্ত্বেও কেন এখনও কোনও ব্যবস্থাই নেওয়া হল না কাকলি ঘোষদস্তিদারের বিরুদ্ধে ?

Post Your Comment

Total Comments:2

Trinomul is a cancer born party,so there is no merit in suspending Mir taher ali and his associates. Triomul party itself should be suspended from West Bengal at the earliest so that Bengal`s life line is not affected by Cancer.

TAHER ALI SHOULD BE AWARDED TRINAMUL-ARJUN

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।