এবার বুদ্ধর তোপের মুখে মুখ্যমন্ত্রী

Update: August 16, 2012 22:21 IST

বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যে বিতর্কের ঝড়ের মধ্যেই তাঁকে সমালোচনায় বিঁধলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। তাঁর বক্তব্য, বিচারব্যবস্থা নিয়ে কথা বলছে রাজ্য সরকার। অথচ দুষ্কৃতী, সমাজবিরোধীরা ঘুরে বেড়াচ্ছে অবাধে, পুলিস তাদের গ্রেফতার করতে পারছে না। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলে, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের বক্তব্য, এরাজ্যের কোনও সাধারণ মানুষই সুরক্ষিত নন।

টাকা দিয়ে বিচার কেনা যায়। গত ১৪ অগাস্ট বিধানসভায় দাঁড়িয়ে এমনই মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান বিচারবিভাগের প্রতি অনাস্থা প্রকাশ করায় সমালোচনার ঝড় ওঠে রাজ্যজুড়ে। প্রতিবাদ জানায় সুপ্রিম কোর্টের বার অ্যাসোসিয়েশনও। মুখ্যমন্ত্রীর ওই মন্তব্যের সমালোচনায় এবার সরব হলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। তীব্র সমালোচনা করে  প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বলেন রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে। তিনি বলেন বিচারব্যবস্থা নিয়ে কথা বলছে রাজ্য সরকার। অথচ সমাজবিরোধীদের গ্রেফতার করতে পারছে না।

আর্থিকভাবে রাজ্য পিছোচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। যা শিল্প হয়েছে আগের সরকারের আমলে। গত একবছরে রাজ্যে কোনও শিল্প আসেনি বলেও মন্তব্য করেন তিনি। রাজ্যে সংবাদপত্রের স্বাধানীতা নিয়েও আশঙ্কা প্রকাশ করেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা সরকারি বিজ্ঞাপনের চোখরাঙানির সামনে প়ডছে বলেও মন্তব্য করেন। সিপিআইএমের সাপ্তাহিক পত্রিকা দেশহিতৈষির ৫০ বছর উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে একথা বলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিমান বসু, সীতারাম ইয়েচুরি সহ অন্যান্য  নেতানেত্রীরা।  






Post Your Comment

Total Comments:4

WHEN NANDIGRAM FIRING TO MASSES LIKE NAZI`S OF HITLER , YOU COMMENTED THE AWAKENING OF THE NEW SUN BEING A CM , WAS THAT A HUMANITARIAN APPROACH ?

The current CPM leadership has neither guts nor political will to contain the goondaraj of TMC. For general public, it is `Bhgaban Varosa`.

The current CPM leadership has neither guts nor political will to contain the goondaraj of TMC. For general public, it is `Bhgaban Varosa`.

নির্বোধ বামপন্থী বুদ্ধদেব।

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।