খুচরো সঙ্কটে ঘুরপথে বাড়ল বাসের ভাড়া

Update: August 11, 2012 15:50 IST

ঘুরপথে সরকারি বাসের ভাড়া বাড়ালেও এখনই বেসরকারি বাসের ভাড়া বাড়াচ্ছে না রাজ্য সরকার। শনিবার থেকেই সরকারি বাসে উঠলেই ভাড়া দিতে হবে পাঁচটাকা। খুচরো সমস্যার দোহাই দিয়ে সরকারি বাসে ভাড়া বাড়ানো বেসরকারি বাসের ক্ষেত্রে কিন্ত অন্য সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য। 

শনিবার মহাকরণে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বিশেষ মন্ত্রিগোষ্ঠী ও বাসমালিদের সংগঠনের প্রতিনিধিদের বৈঠক হয়। সেই বৈঠকেই বাসমালিক সংগঠনগুলিকে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দেন এখনই বাসভাড়া বাড়াতে পারবে না সরকার। তার পরিবর্তে বিজ্ঞাপন ও অন্যান্য উপায়ে আয় বাড়ানোর কিছু ব্যবস্থা করার কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

তবে ভাড়া না বাড়ালে যে তাদের পক্ষে বাস চালানো অসম্ভব হয়ে পড়বে সেকথাও মুখ্যমন্ত্রীকে জানিয়ে দিয়েছেন বাসমালিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা। মুখ্যমন্ত্রী তাদের দাবি বিবেচনা করবেন আশ্বাস দেওয়ায় এখনই ধর্মঘটের মতো কোনও সিদ্ধান্ত নিচ্ছে না বাসমালিকরা।

শনিবার মহাকরণে বিশেষ ক্ষমতাপ্রাপ্ত মন্ত্রিগোষ্ঠীর সঙ্গে বৈঠকে করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার মহাকরণে অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র, শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, পরিবহণ মন্ত্রী মদন মিত্র ও পরিকল্পনা মন্ত্রী মণীশ গুপ্তর সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।