দূরপাল্লার আকাশছোঁয়া ভাড়বৃদ্ধিতে নাজেহাল যাত্রীরা

Update: November 18, 2012 12:04 IST

নতুন বাস ভাড়া নিয়ে রীতিমতো নাজেহাল রাজ্য সরকার। যাত্রী অসন্তোষে শহরতলির বাসের ভাড়ার কিছুটা পুনর্বিন্যাস করা হলেও দুরপাল্লার বাসগুলির ক্ষেত্রে কিন্তু ভাড়া রীতিমতো আকাশছোঁয়া। গড়ে বাস ভাড়া বেড়েছে ৪০ শতাংশেরও বেশি। পরিবহন সূত্রে খবর, যাত্রী অসন্তোষে এবার দুরপাল্লার বাসের ভাড়াও পুনর্বিন্যাস করতে চলেছে সরকার।

মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন কোনওভাবেই বাড়াবেন না বাসের ভাড়া। কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতি রাখতে পারেননি তিনি। তেলের দাম বাড়ার পরে বাড়ানো হয় বাসের ভাড়া। কিন্তু সরকারি নির্দেশে একদফা ভাড়া বাড়ানোর পর ফের যাত্রী অসন্তোষে পড়ে ভাড়ার পুনর্বিন্যাস করতে বাধ্য হয়েছে রাজ্য সরকার।
 
শিলিগুড়ি  আগে ছিল ২৪০ টাকা- এখন ৩৬০ টাকা
 
বালুরঘাট আগে ছিল ১৮৫ টাকা- ২৭৫ টাকা
 
মালদহ আগে ছিল ১৪৬ টাকা- ২০৫ টাকা
 
বহরমপুর আগে ছিল ৯২ টাকা- এখন ১২৫ টাকা
 
দুর্গাপুর আগে ছিল ৭৫ টাকা- এখন ১১৫ টাকা
 
আসানসোল আগে ছিল ৯৫ টাকা- এখন ১৪০ টাকা
 
শিউড়ি আগে ছিল ৯২ টাকা- এখন ১৮০ টাকা
 
দীঘা আগে ছিল ৮৩ টাকা- এখন ১১৩ টাকা
 
পুরুলিয়া আগে ছিল ১৩০ টাকা- এখন ২০০ টাকা
 
বাঁকুড়া আগে ছিল ১০০ টাকা- এখন ১৪০ টাকা
 
এসবই শুধুমাত্র সরকারি বাসের তালিকা। বেসরকারি বাসগুলো ভাড়া বাড়িয়েছে একেবারে তাদের মর্জিমাফিক। দৈনন্দিন কয়েক হাজার মানুষ যাতায়াত করেন এই সরকারি দুরপাল্লার বাসগুলিতে। ফলে প্রতিদিন দুর্বিসহ পরিস্থিতির শিকার হচ্ছেন তারা। সরকারি নোটিফিকেশনে বলা হয়েছিল দুরপাল্লা রুটের কিলোমিটার প্রতি দশ পয়সা করে ভাড়া বাড়ানো হবে। কিন্তু আদপেও সেভাবে বাড়েনি ভাড়া। কলকাতা থেকে শিলিগুড়ির দুরত্ব প্রায় ৬০০ কিলোমিটার। কিন্তু ভাড়া বেড়েছে প্রায় ১২০ টাকা। ফলে ফের ভাড়া বাধ্য হচ্ছে সরকার।
 

Post Your Comment

Total Comments:1

ba hobe na!eta je maa-mati-manuser sarkar.tai manuske nie bhablo ektu.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।