৬ সপ্তাহে কার্টুনকাণ্ডের রিপোর্ট দেবে রাজ্যসরকার

Update: March 4, 2013 23:52 IST

কার্টুনকাণ্ডে রিপোর্ট দেওয়ার জন্য রাজ্য মানবাধিকার কমিশনের কাছে ৬ সপ্তাহ সময় চাইল রাজ্য সরকার। 

ই মেলে মুখ্যমন্ত্রীর কার্টুন ফরওয়ার্ড করার অপরাধে গ্রেফতার করা হয় অধ্যাপক অম্বিকেশ মহাপাত্র এবং সুব্রত সেনগুপ্তকে। ওই ঘটনায় রাজ্য সরকারের কাছে দুটি সুপারিশ পাঠায় রাজ্য মানবাধিকার কমিশন। সুপারিশে বলা হয়, ওই দু`জনকে পঞ্চাশ হাজার টাকা করে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে এবং দোষী দুই পুলিসকর্মীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

গত বছরের অগাস্ট মাসে পাঠানো ওই সুপারিশ নিয়ে এপর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়াই জানায়নি রাজ্য সরকার। রাজ্য স্বরাষ্ট্র দফতর সূত্রে খবর, সম্প্রতি এবিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ছ সপ্তাহ সময় চেয়ে রাজ্য মানবাধিকার কমিশনকে চিঠি দেওয়া হয় রাজ্য সরকারের তরফে। ওই সময়সীমা গ্রাহ্য করেছে কমিশন।

Post Your Comment

Total Comments:2

i.t act 66(a) should be changable.

i.t act 66(a) should be changable.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।