রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ঘিরে সংঘাত চরমে, খারিজ সুদ মকুবের দাবি

Update: July 5, 2012 21:15 IST

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে এবার কেন্দ্রের সঙ্গে সরাসরি সংঘাত তৃণমূলের। মঙ্গলবার কলকাতায় দুই শীর্ষ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পি চিদম্বরম এবং কপিল সিব্বলকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বুঝিয়ে দেন, প্রণব মুখার্জিকে কোনও অবস্থাতেই সমর্থন করবে না তাঁর দল। তারপরই যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে কেন্দ্রের দুই শীর্ষ মন্ত্রী বলেন, প্রণব মুখার্জিকে রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত করতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থন অপরিহার্য নয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থন ছাড়াই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে নিশ্চিত কংগ্রেস। বৃহস্পতিবার কলকাতায় সাংবাদিক সম্মেলনে একথা স্পষ্ট করে বুঝিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পি চিদম্বরম। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বৈধ ভোটের ৬৫ শতাংশই পাবেন প্রণব মুখোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার কলকাতায় এসে প্রথমেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে মহাকরণে বৈঠক করেন কপিল সব্বিল। কিন্তু সেই বৈঠক যে ব্যর্থ হয়েছে, তা পরিষ্কার হয়ে যায় কিছুক্ষণ পরই। এরপরই রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা থেকে শুরু করে ঋণ মকুবের দাবি, সব ইস্যুতেই সরকারকে কড়া আক্রমণে নামে কংগ্রেস।

রাজ্যের ঋণ মকুবের দাবিতে দিল্লিতে দরবার করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যে কোনও লাভ হবে না, তা-ও সোজাসাপ্টা বলে দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। কিছুদিন আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ জানান, বিভিন্ন কেন্দ্রীয় প্রকল্পে অর্থ সাহায্য পাচ্ছে না তাঁর সরকার। কেন্দ্রের বিমাতৃসুলভ আচরণের এই অভিযোগও খারিজ করে দেন পি চিদম্বরম। পরিসংখ্যান দিয়ে তিনি বলেন, অন্য রাজ্য যা সাহায্য পাচ্ছে তার সমতূল্য বা কখনও বেশিই সাহায্য পাচ্ছে এ রাজ্য। তাঁর বক্তব্য, একাদশ পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় যা বরাদ্দ হয়েছিল, দ্বাদশ পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় পশ্চিম বঙ্গের জন্য বরাদ্দ একশো আট গুণ বাড়ানো হয়েছে। এদিকে বৃহস্পতিবারই তুমুল বিতর্কের মধ্যেই রাজ্যের ঋণ মকুবের দাবিতে দিল্লিতে সর্বদলীয় প্রতিনিধি পাঠানোর প্রস্তাব গৃহীত হয় বিধানসভায়। সরকারি প্রস্তাবের বয়ানের তীব্র বিরোধিতা করে বাম নেতৃত্ব জানিয়ে দেন তারা যোগ দেবেন না। কংগ্রেসের পক্ষ থেকেও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে তারাও থাকছে না তৃণমূলের পাশে। ফলে মোরেটোরিয়ামের দাবি নিয়ে তৃণমূলের প্রতিনিধিদেরই দিল্লি যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এদিনের বক্তব্যে তা সম্পূর্ণ নস্যাত্ হয়ে যায়।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বা ঋণ মকুব ইস্যুতেই চিদম্বরমের আক্রমণ থেমে থাকেনি। এদিনই সন্ধেয় কলকাতা শহরেরে বুকে দাঁডিয়েই বণিক সভার এক অনুষ্ঠানে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে চিদম্বরম সরাসরি আঙুল তোলেন রাজ্যে বেড়ে চলা রাজনৈতিক হিংসার দিকে।






Post Your Comment

Total Comments:2

Mr.P.CHIDAMBARN MINISTER OF INDIA For EXTERNAL AFFAIRS and Prominent Key Person In Govt of India Was Taken The Right Step !If May they Continued This Pressure in Sate Govt of WEST BENGAL! I like to Highlighted Here In Last 15+ Months of New Ruling Govt HAD ONLY ADVERTISE HER FALSE STATEMENT IN AND AROUND AND SPEND DAY`S WITH HELP OF MARKET LOAN AND ADD ON LOAN FROM GOVT OF INDIA ! IN INDIA ALL ARE PEOPLE AGAINST OF THIS GOVT EXCEPT Mrs. CHIEF MINISTER ! IF CENTRAL GOVT CONTINUED FEEDING TO THEM THEY ARE HERE TO CREATE THEIR WORTH OF NON WORKING AND NON GENERATION OF EARNING IN BENGAL! AND BY THE TIME THE PEOPLE REALISTIC TO THIS GOVT BECOME MULTI MILLIONAIRESS AND REST OF THE STATE PEOPLE WILL GOES UNDER STIFF UN_CONVENTIONAL SITUATION IN WEST BENGAL!

রামের সুমতি লেখাটা পড়া প্রোয়জন। এটা সামজিক ভাবে গ্রহন যোগ্য। পাষানি অহল্যা মুক্ত হবেন না। এটাও গ্রহন যোগ্য। অমানবিক রাজনৈতিক সমীকরনে ৩+২=৫ অথবা ৩x২=৬ এখন এটাই দ্রষ্টব্য। সংখ্যাগত ভাবে ৩ও২। হায় অদৃষ্ট।

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।