গঙ্গাপাড়ের সৌন্দর্যায়ন প্রকল্প উদ্ধোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী

Update: May 24, 2012 23:06 IST

গঙ্গাপাড়ের সৌন্দর্যায়ন প্রকল্পে প্রিন্সেপ ঘাট থেকে বাজেকদমতলা ঘাট পর্যন্ত সৌন্দর্যায়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার প্রিন্সেপ ঘাটে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, আটকে থাকা কাজ দ্রুত শেষ করা হবে। এক্ষেত্রে অর্থ বাধা হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ত্রিমুখী আলোয় সেজে উঠেছে গঙ্গার পাড়। পঁচিশ কিলোমিটারের মধ্যে দু কিলোমিটার সৌন্দর্যায়নের কাজ শেষ হয়েছে ইতিমধ্যেই। সেনাবাহিনীর প্রয়োজনীয় অনুমতি না পাওয়ায় আটকে রয়েছে কাজ। অনুমতি পেলেই খুব শীঘ্র বাকি কাজ শেষ হবে। উদ্বোধন মঞ্চ থেকেই আরও একবার পূর্বতন সরকারকে কটাক্ষ করেন মুখ্যমন্ত্রী।

রাজ্য সরকার ও কলকাতা পুরসভার যৌথ উদ্যোগে কলকাতা পোর্ট ট্রাস্ট ও রেলমন্ত্রকের সহযোগিতায় এই প্রকল্পের বাস্তবায়ন হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, প্রিন্সেপ ঘাট থেকে বাজেকদমতলা ঘাট পর্যন্ত যে সমস্ত হকাররা বসতেন, তাঁদের জন্যও নতুন স্টলের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

Post Your Comment

Total Comments:2

Jio mamata di... Mamata didi 10 year thakle bengol london hobei...

Jio mamata di... Mamata didi 10 year thakle bengol london hobei...

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।