মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে আজ বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী

Update: July 2, 2012 11:24 IST

মূল্যবৃদ্ধির কারণ খতিয়ে দেখতে আজ দুপুরে মহাকরণে ব্যবসায়ী ও হিমঘর মালিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আলোচনার মাধ্যমে খাদ্যপণ্যের সাম্প্রতিক মূল্যবৃদ্ধি প্রতিহত করার দিশানির্দেশিকা তৈরির চেষ্টা হবে এই বৈঠকে।

নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে শনিবার বাজার পরিদর্শনে বেরিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে তিনি হুঁশিয়ারি দেন-"একশ্রেণীর ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃতভাবে জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়েছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেবে সরকার।" একইসঙ্গে তিনি কৃষিবিপণন দফতরের কাজেরও সমালোচনা করেন। মন্ত্রী অরূপ রায়ের দফতর দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ বলেও সমালোচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে বঙ্গে বর্ষার আগমন মুখ্যমন্ত্রীর টহল সত্ত্বেও বাজারদর এখনও আকাশ ছোঁয়া। বিশেষত সব্জির আকাশছোঁয়া দরে কার্যত মাথায় হাত ক্রেতাদের।

Post Your Comment

Total Comments:2

Whether the TMC leaders and workers are getting their cut from the small/petty traders and middlemen? It is not possible to survive in Bengal without paying to the goons of Long live TMC and Mamata banerjee,

Whether the TMC leaders and workers are getting their cut from the small/petty traders and middlemen? It is not possible to survive in Bengal without paying to the goons of Long live TMC and Mamata banerjee,

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।