রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে পত্রাঘাত মুখ্যমন্ত্রীর

Update: July 6, 2012 23:32 IST

রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা ইস্যুতে কেন্দ্রের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতের পথেই গেল রাজ্য সরকার। শুক্রবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পি চিদম্বরমকে চিঠি লিখে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গতকাল কলকাতায় রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে অতিরঞ্জিত ও ভুল তথ্য পরিবেশন করেছেন।

বৃহস্পতিবার কলকাতায় এসে রাজ্যে রাজনৈতিক হিংসা ও সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন চিদম্বরম। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যে মাওবাদী সমস্যা যখন চরমে, সেই সময়ে ২০১০-এ রাজনৈতিক সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছিল ২০৪ জনের, আহত হয়েছিলেন ২৬০১ জন। ২০১১ সালে রাজনৈতিক সংঘর্ষে মৃতের সংখ্যা কমে দাড়িয়েছিল ১৩৬, আহত হয়েছিলেন ২৬২৫ জন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবি, চলতি বছর জঙ্গলমহল আগের তুলনায় শান্ত। তা সত্ত্বেও, ২০১২-র প্রথম ৬ মাসে রাজনৈতিক সংঘর্ষের মৃত্যু হয়েছে ৮২ জনের, আহত হয়েছেন ১১১২জন। এই রাজনৈতিক হানাহানি সুস্থ গণতন্ত্রের পক্ষে ঠিক নয় বলেই মত চিদম্বরমের। গণতন্ত্রের স্বার্থে দ্রুত রাজনৈতিক হানাহানি বন্ধ করে আইনের অনুশাসন ফিরিয়ে আনা একান্ত জরুরি বলে মন্তব্য করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

তা নিয়ে সঙ্গে সঙ্গেই তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। সুব্রত মুখোপাধ্যায় বলেছেন, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে কোনও মন্তব্য করার অধিকার নেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। সরকারের এই মন্তব্য শোনার পর চিদম্বরমও সুর চড়িয়ে বলেছেন, রাজনৈতিক সংঘর্ষ ঘটলে বলার অধিকার সবারই আছে।

আজ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে  তথ্যবিকৃতির অভিযোগ এনে কেন্দ্রের সঙ্গে সংঘাতকে অন্য মাত্রায় নিয়ে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী।   

Post Your Comment

Total Comments:6

রাজনৈতিক সংঘর্ষ ঘটলে বলার অধিকার সবারই আছে।

What these hooglums in government of Bengal really want.Thse men should take shelter behind the bars.

What these hooglums in government of Bengal really want.Thse men should take shelter behind the bars.

24ghanta channel please convert to dvbs2 mpeg 4 hd because this formate is very strong for signal taking

Aaine srinkhola to r kato jon mara gele seta noy, tar sathe rajjye ki ki ghotche setao bojhay... Jebhabe last 1 bachor sikkha khetro kalusito hoyeche tarpor Manoniya Mukkho Montrir r katha bola saje na...

মোটেই তথ্য বিকৃতি নয়, বরং সত্য কথাই বলছেন। আর সত্য কখনই সুমধুর হয় না। রাজ্যের সরবত্র অরাজকতা চলছে। ভয়ঙ্কর তান্ডব চলছে, ভেতরের খবর মেডাম কিছুই জানেননা, এ রাজ্য কত বড় তার অনুমান বোধ হয় নেই। আমরা নীতি অনুযায়ী কোন কাজ করতে পারছিনা, গুন্ডাদের কথা মতো কাজ করতে হবে, তাই ধীরে ধীরে নিষ্ক্রিয় হয়ে যাওয়াই ভালো দেখছি, অনেকে সেই পথেই হাটছে। সরকারী অর্থের অপচয় হচ্ছে, সবাই ভাবছে বেতন ঠিক থাকলেই হলো,কাজের যাই হোক না কেন। বিন্দুমাত্র কাজের উৎসাহ পাচ্ছিনা। শিক্ষক,চাষী,মজুর,অধ্যক্ষ, ছাত্র মা বোন সকলেই আক্রান্ত হচ্ছে। অন্য সব মেগাসিটির মধ্যে কলকাতা নিরাপদ শহর মনে হতো। আজ মেয়েরা রাত্রিতে ঘরের বাইরে বেরোতে ভয় পাচ্ছে,কিছু ঘটলেই মন্ত্রীরাই উলটে বলবে এত রাতে কী করছিল। কী অদ্ভুত জবাব, গুন্দারা কী তাহলে তাদেরই কেউ? তৃনমুল কোন ক্রিমিনাল হলেও পুলিশ তাকে আটক করতে ভয় পায়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যথাযথই বলেছেন এরাজ্যে কোন আইন শৃঙ্খলা বলে কিছু নেই, কেবল গুণ্ডারাজ চলছে।

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।