ধাপার নিহত তৃণমূল নেতার বাড়ি গেলেন মুখ্যমন্ত্রী

Update: March 22, 2013 09:31 IST

ধাপার মাঠপুকুরে জমি দখলের ঘটনায় নিহত স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেস নেতা অধীর মাইতির বাড়িতে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার রাত আটটা নাগাদ তিনি সেখানে যান। তখন বাড়িতে ছিলেন প্রয়াত নেতার স্ত্রী, দুই কন্যা ও দুই জামাই।

তাঁদের সঙ্গে কথা বলে গোটা ঘটনার জন্য দুঃখপ্রকাশ করে, পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী। তারপরই তিনি বলেন, বুধবারের ঘটনায় যারা দোষীদের, কড়া শাস্তি দেওয়া হবে। এরপর পরিবারের হাতে দু লক্ষ টাকার একটি চেকও তুলে দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেইসঙ্গে নিহত তৃণমূল কংগ্রেস নেতা অধীর মাইতির পরিবারের দুই সদস্যকে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন মুখ্যমন্ত্রী।

Post Your Comment

Total Comments:3

I was on a tour at MP from fifth March to nineteenth March . I saw the People are peaceful and performing their daily work calmly and quietly in spite of common hazard of Indian life style.On twenty first March I entered the West Bengal Border and first news head line I saw in the paper is the above news.My immediate reaction in mind was Oh! God I am back again in the den of nasty political leaders and their followers who will not allow us to live peacefully .It is really painful.

ki bolchen didi? mahila hiy...

GHATONER MUL PANDA ``JAL SOVON`` TAKEKI ARREST KORA HOBE?

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।