কলেজ ভাড়া নিয়ে বসে বিয়ের আসর, শিকেয় পঠন পাঠন

Update: January 22, 2013 23:23 IST

চালু রয়েছে কলেজ। তারই মধ্যে বিয়েবাড়ির আসর। সকাল থেকেই উনুন জ্বালিয়ে চলছে রান্নাবান্না। বেশ কয়েকবছর ধরে এমনটাই হয়ে আসছে খাস কলকাতার বেনিয়াপুকুরের মিল্লি আল আমিন কলেজে। এর জেরে কার্যত শিকেয় পঠন-পাঠন। কলেজ কর্তৃপক্ষ থেকে দমকলমন্ত্রীর দফতর, একাধিকবার দরবার করেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। অভিযোগ শিক্ষিকাদের।  

কোনও নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে কলেজেই চলছে বিয়ের অনুষ্ঠান। কলকাতার বেনিয়াপুকুরের মিল্লি আল আমিন মিশন কলেজে বেশ কয়েকবছর ধরেই এমনটা হয়ে আসছে। শিক্ষিকাদের দাবি, মঙ্গলবারও ভিডিও ফুটেজ দেখানো হয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষকে।  তা সত্বেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
 
অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা না থাকার দরুন বড় ধরনের বিপদের আশঙ্কা করছেন শিক্ষিকারা। কলেজ পরিচালন সমিতির সভাপতি তৃণমূল সাংসদ সুলতান আহমেদ এবং দমকল মন্ত্রীকে অভিযোগ জানিয়েছেন কলেজ শিক্ষিকারা। তবে এখনও পর্যন্ত  কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে দাবি তাঁদের।

Post Your Comment

Total Comments:2

MOGER MULLUK CHOLCHE.

Chaliye jao- doodin boi to noi .... ....

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।