আবার কম্পালসরি ওয়েটিংয়ে সরকারি আমলা

Update: February 14, 2013 13:24 IST

ফের তোপের মুখে এক সরকারি আধিকারিক। এবার কম্পালসরি ওয়েটিংয়ে পাঠানো হল যুবকল্যাণ দফতরের যুগ্মসচিবকে।

গ্রুপ ডি পদে ৫৫ জনের নিয়োগে নিয়ম মানা হয়নি বলে অভিযোগ করেছিলেন তিনি। যুবকল্যাণ দফতরের যুগ্মসচিব কাঞ্চন দাসের অভিযোগ ছিল এই নিয়োগের ক্ষেত্রে অর্থ দফতরের প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছিল না। যদিও সরকারের দাবি, মন্ত্রিসভার সুপারিশ মেনেই হয়েছিল এই নিয়োগ।

আর এই ঘটনার জেরেই অবসরের মুখে  কম্পালসরি ওয়েটিংয়ে পাঠানো হল যুবকল্যাণ দফতরের যুগ্ম সচিব কাঞ্চন দাসকে।

আগামী আঠাশে ফেব্রুয়ারি অবসর গ্রহণ করছেন তিনি।

এর মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীর সফরের মাঝেই কম্পালসারি ওয়েটিংয়ে পাঠানো হয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দকুমারের বিডিও শীর্ষেন্দু সাহাকে। অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েতের দুর্নীতির বিরুদ্ধে তদন্ত করতে গিয়েই রোষের মুখে পড়েছেন তিনি।

Post Your Comment

Total Comments:3

NOW COMPULSARY WAITING FOR PANCHAYET MEMBER,PRADHAN AND VILLAGE ADMINISTRATION LONDA BHANDA KORE DE MAA LUTE PUTE KHAI MAA,MATI,MANUSKE

thik koreche..ei bata kajer binimoye taka nito..er properties incomer theke besi keno..seta CBI diye investigate korano uchit..er sasti chai..

MAMATA BANERJEER MONTRISOVAKE EBAR JONOGAN COMPALSARY WAITING PATHEBE.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।