মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষে দাবি তুলে এজলাসে বিশৃঙ্খলা ছড়ালেন এক ব্যক্তি

Update: December 7, 2012 18:25 IST

মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলার শুনানিতে কলকাতা হাইকোর্টে নজিরবিহীন ঘটনা ঘটে গেল। এজলাসে ঢুকেই গন্ডগোল শুরু করে দিলেন এক ব্যক্তি। বিচার ব্যবস্থার ওপর তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে ওই ব্যক্তি গ্রেফতার হলেন। পরে ছাড়াও পেলেন।  এই ঘটনায় প্রশ্নের মুখে এসে দাঁড়াল কলকাতা হাইকোর্টের নিরাপত্তা। 

বিধানসভার অনুষ্ঠানে বিচারবিভাগ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রেক্ষিতেই আদালতে মামলা দায়ের করেন আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। প্রধান বিচারপতি প্রতাপ রায় ও বিচারপতি সুবল বৈদ্যর ডিভিশন বেঞ্চে সেই মামলার শুনানি ছিল। শুনানি চলাকালীন এজলাসে ঢুকে পড়েন এক ব্যক্তি।
 
ইন্দ্রজিত বিশ্বাস নামে ওই ব্যক্তি দাবি তোলেন,  "বিচারবিভাগ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী যা বলেছেন তা সত্যি।" এরপরই সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বেশ কিছু কাগজ ছুঁড়ে দেন তিনি। এজলাসে বিশৃঙ্খলা ছড়ানোর অভিযোগে ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে পুলিস। পরে অবশ্য ওই ব্যক্তিকে ছেড়েও দেওয়া হয়।
 
মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার এই মামলার শুনানি নতুন করে শুরু হয়েছে শুক্রবার। মামলায় আগেই সামিল করা হয়েছে কয়েকটি টিভি চ্যানেল ও সংবাদপত্রকে। আদালত বন্ধু হিসেবে নিযুক্ত দুই আইনজীবী নিজেদের মতামতও জানিয়েছেন আদালতে। কিন্তু তত্কালীন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি কল্যানজ্যোতি সেনগুপ্ত বদলি হয়ে যাওয়ায় মামলাটি এই অবস্থাতেই থেকে যায়। এরপরই  নতুন করে  শুনানি শুরু হয়।  মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ১৪ ডিসেম্বর। 

Post Your Comment

Total Comments:3

Ekhon bicharbyabostha kharap hoye gelo ar gato govt er samoi je court onek case e cpm ke tulodhona korto, takhon esob neutral chhilo. Tmc party tai dhandabazder. Loke ei dhandabazir jonyo oderke vote diyechhe ki?

RATE MAMATA BANERJEE MUKULROYKE JABOLECHEN ``CHELETER NAAM THIKANA REKHE DAO VOBISOTYA KAJE LAGBE. OKE SOBROKOM AINI SAHAJYA DEBAR BABYOSTA KARO.``

Are NAM,THIKANA janai ache uni nijai to pathiasen.

MAMLATIR DRUTO NISPOTTI CHAI.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।