জয়েন্টের প্রশ্নে নাকাল পরীক্ষার্থীরা

বাংলায় পরীক্ষা দেওয়ার জন্য ফর্ম ফিলাপ করেছিল। কিন্তু প্রশ্নপত্র এল ইংরাজিতে। শেষপর্যন্ত বহু প্রশ্নের উত্তর না দিয়েই পরীক্ষার হল ছাড়তে বাধ্য হলেন পরীক্ষার্থীরা। এবছরের মেডিক্যালের অভিন্ন প্রবেশিকা পরীক্ষায় এমনই সমস্যার মুখে পড়তে হল এরাজ্যের বহু পরীক্ষার্থীকে। দমদমের কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ে এবছরের জয়েন্টের মেডিক্যালের অভিন্ন প্রবেশিকা পরীক্ষার সিট পড়েছিল রবিবার। সকাল দশটায় শুরু হয় পরীক্ষা। কিন্তু পরীক্ষা শুরু হতেই ছাত্রছাত্রীদের একটা বড় অংশ দেখেন তাদের ইংরাজি মাধ্যমের প্রশ্ন পত্র তুলে দেওয়া হয়েছে। ছাত্রছাত্রীদের দাবি, বাংলা মাধ্যমের প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দেওয়ার জন্যই তাঁরা ফর্ম পূরণ করেছিলেন।

Updated: May 6, 2013, 09:37 AM IST

বাংলায় পরীক্ষা দেওয়ার জন্য ফর্ম ফিলাপ করেছিল। কিন্তু প্রশ্নপত্র এল ইংরাজিতে। শেষপর্যন্ত বহু প্রশ্নের উত্তর না দিয়েই পরীক্ষার হল ছাড়তে বাধ্য হলেন পরীক্ষার্থীরা। এবছরের মেডিক্যালের অভিন্ন প্রবেশিকা পরীক্ষায় এমনই সমস্যার মুখে পড়তে হল এরাজ্যের বহু পরীক্ষার্থীকে। দমদমের কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ে এবছরের জয়েন্টের মেডিক্যালের অভিন্ন প্রবেশিকা পরীক্ষার সিট পড়েছিল রবিবার। সকাল দশটায় শুরু হয় পরীক্ষা। কিন্তু পরীক্ষা শুরু হতেই ছাত্রছাত্রীদের একটা বড় অংশ দেখেন তাদের ইংরাজি মাধ্যমের প্রশ্ন পত্র তুলে দেওয়া হয়েছে। ছাত্রছাত্রীদের দাবি, বাংলা মাধ্যমের প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দেওয়ার জন্যই তাঁরা ফর্ম পূরণ করেছিলেন।
বাংলায় পরীক্ষা দেওয়ার জন্য তৈরি হয়েছিলেন ছাত্রছাত্রীরা কিন্তু ইংরাজিতে প্রশ্ন আসায় অনেক প্রশ্নের উত্তরই না দিয়ে হল ছাড়তে হয় পরীক্ষার্থীদের।
এবছরই প্রথমবার মেডিক্যালে ভর্তির ক্ষেত্রে অভিন্ন প্রবেশিকা পরীক্ষায় বসতে হয় ছাত্রছাত্রীদের। রাজ্য সরকারের দাবি করেছিল ছাত্রছাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় প্রশ্নপত্র যাতে বাংলায় হয় তার ব্যবস্থা তারা করেছে। কিন্তু সেই আশ্বাসের পরেও রবিবারের অভিজ্ঞতা রীতিমত দুশ্চিন্তায় ফেলেছে ছাত্রছাত্রীদের। ভাল প্রস্তুতি থাকা সত্বেও শুধুমাত্র ভাষার সমস্যায় অনেকেই ডাক্তারি পড়ার সুযোগ পাবেন না বলে আশঙ্কা করছেন। রাজ্যের স্বাস্থ্যশিক্ষা অধিকর্তা অবশ্য জানিয়েছেন, তাঁদের কাছে পরীক্ষার্থীরা অভিযোগ জমা দিলে তারা সি বি এস ই বোর্ডের কাছে ফের ওইসব ছাত্রছাত্রীদের পরীক্ষা নেওয়ার আবেদন জানাবেন ।