দুঃখের দিনে হুল্লোড় নয়, তৃণমূলকে কটাক্ষ 'অনাহূত' কংগ্রেসের

Update: July 21, 2012 12:19 IST

ধর্মতলায় তৃণমূলের ২১ জুলাইয়ের সমাবেশে আমন্ত্রণ না পেয়ে বিধান ভবনে আলাদাভাবে শহীদ দিবস পালন করল প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব। উপস্থিত ছিলেন, প্রদেশ কংগ্রেসের সব শীর্ষ নেতারাই। সেখানে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি প্রদীপ ভট্টাচার্য নাম না করে শহীদ দিবস পালনের নামে `বিজয় উত্‍সব আর হুল্লোড়` করার অভিযোগ আনলেন তৃণমূলের বিরুদ্ধে।

প্রদীপবাবুর মতে, ২১ জুলাইয়ের শহীদ দিবস একটি দুঃখের দিন। সেদিন পুলিসের গুলিতে অকালে ঝরে গিয়েছিল, ১৩টি অমূল্য প্রাণ। তাই এই দিনটিতে হইহুল্লোড় বা বিজয় উত্‍সব না করে গুরুগম্ভীর পরিবেশে শহীদদের স্মরণ করতে চায় কংগ্রেস। একই সঙ্গে ২১ জুলাই তদন্ত কমিশনের কাজ কতটা যথাযথ ভাবে সম্পন্ন হবে তা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন তিনি।

এদিন প্রদেশ কংগ্রেস দফতরে মিডিয়ার মুখোমুখি হয়ে প্রদীপ ভট্টাচার্য বলেন, ১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই যাঁরা পুলিসের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছিলেন তাঁরা কেউ তৃণমূল ছিলেন না। তখন তৃণমূলের জন্মই হয়নি। কংগ্রেসের পতাকা হাতে মহাকরণ অভিযানে অংশ নিয়ে পুলিসের গুলিতে প্রাণ যাঁরা হারিয়েছিলেন, তাঁরা সকলেই ছিলেন কংগ্রেসের সমর্থক। তখন মমতা বন্দ্যাপাধ্যায় ছিলেন যুব কংগ্রেস নেত্রী। সেই মিছিল ছিল যুব কংগ্রেসের।





Post Your Comment

Total Comments:1

এদিন প্রদেশ কংগ্রেস দফতরে মিডিয়ার মুখোমুখি হয়ে প্রদীপ ভট্টাচার্য বলেন, ১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই যাঁরা পুলিসের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছিলেন তাঁরা কেউ তৃণমূল ছিলেন না। তখন তৃণমূলের জন্মই হয়নি। কংগ্রেসের পতাকা হাতে মহাকরণ অভিযানে অংশ নিয়ে পুলিসের গুলিতে প্রাণ যাঁরা হারিয়েছিলেন, তাঁরা সকলেই ছিলেন কংগ্রেসের সমর্থক। তখন মমতা বন্দ্যাপাধ্যায় ছিলেন যুব কংগ্রেস নেত্রী। সেই মিছিল ছিল যুব কংগ্রেসের। This is the Agenda of 21JULY Anniversary! But If Some One Left The Party And Build Up A New ERA Then How He/She Claim That They Are Main Part of The Decades Family! This MAA MATI MANUSH LEADER IS CLAIMING SHE IS THE MAIN ACCOMPANIED ON THIS STORY! SORRY THIS IS NOT A FARE POLITICS!

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।