পঞ্চায়েতে কংগ্রেসের ভরাডুবিতে সাংগঠিক দুর্বলতা দেখছে প্রদেশ

Last Updated: Friday, August 2, 2013 - 19:55

পঞ্চায়েতে বিপর্যয়ের জন্য সন্ত্রাসের পাশাপাশি সাংগঠনিক ত্রুটিকেও দায়ী করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি। রাহুল গান্ধীকে চিঠি পাঠিয়ে অবিলম্বে সাংগঠনিক রদবদলেরও দাবি জানিয়েছেন তিনি। ৬ অগাস্ট এই ইস্যুতেই রাহুল গান্ধীর সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রদেশ সভাপতি। শনিবার, জেলা নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন প্রদেশ নেতারা।  
পঞ্চায়েত নির্বাচনে ২৮,৪০০ আসনে প্রার্থী দিয়েছিল কংগ্রেস। শেষ পর্যন্ত জিতেছে মাত্র ৭ হাজার আসন। ২০০৮-এর পঞ্চায়েত নির্বাচনে একক শক্তিতে লড়ে কংগ্রেস পেয়েছিল প্রায় ১৪ শতাংশ ভোট। এ বারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে সেই ভোটের হার কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ১০ শতাংশ। কেন এই বিপর্যয়? এআইসিসির নেতা রাহুল গান্ধীকে চিঠি দিয়ে বিপর্যয়ের কারণ ব্যাখ্যা করেছেন প্রদেশ সভাপতি।
 
কী আছে সেই চিঠিতে? পঞ্চায়েত ভোটের বিপর্যয়ের জন্য প্রথমত দায়ী করা হয়েছে সন্ত্রাসকে। প্রদীপবাবুর দাবি, বহু জায়গায় ইচ্ছে থাকলেও প্রার্থী দিতে দেওয়া হয়নি কংগ্রেসকে। এমনকী প্রার্থী দেওয়ার পরেও তা প্রত্যাহার করে নিতে হয়েছে। চিঠিতে প্রদীপবাবু জানিয়েছেন, ধারাবাহিভাবে কংগ্রেসের ওপরে আক্রমণ চালিয়েছে তৃণমূল। তাঁদের বহু কর্মী এখনও ঘরছাড়া।
 
খারাপ ফলের জন্য দলের সাংগঠনিক ত্রুটিকেও দায়ী করেছেন প্রদেশ সভাপতি। অধিকাংশ জেলাতেই শাসকদলের আক্রমণ মোকাবিলা করার মতো জোর ছিল না। রাহুল গান্ধীর কাছে পাঠানো রিপোর্টে সাংগঠনিক রদবদলেরও দাবি করা হয়েছে। তাঁর যুক্তি, মানস ভুঁইয়া প্রদেশ সভাপতি থাকাকালীন যে কমিটি ছিল, গত তিন বছরে তার পরিবর্তন হয়নি। অনেক কমিটিই নিষ্কৃয় হয়ে গিয়েছে। লোকসভা ভোটের আগে অবিলম্বে ব্লক স্তর পর্যন্ত কমিটি রদবদলের দাবি করা হয়েছে। ৬ আগষ্ট দিল্লিতে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে বৈঠকে বসছেন প্রদেশ সভাপতি। শনিবার থেকে সোমবার জেলা, রাজ্য নেতাদের নিয়ে দফায় দফায় বৈঠক করবে প্রদেশ এবং এআইসিসি। কিন্তু জোট ছাড়া সত্যিই কী কংগ্রেসের আর ঘুড়ে দাঁড়ানো সম্ভব, দলের অন্দরে এটা ঘিরেই জল্পনা।



First Published: Friday, August 2, 2013 - 19:55


comments powered by Disqus