কাল কংগ্রেসের মহাকরণ অভিযান

Update: January 9, 2013 20:52 IST

কংগ্রেসের মহাকরণ অভিযানকে কেন্দ্র করে ক্রমশ চড়ছে উত্তেজনার পারদ। বুধবারই উত্তরবঙ্গ থেকে কয়েকহাজার কংগ্রেস কর্মী এসে পৌঁছেছেন কলকাতায়। কংগ্রেসের টার্গেট, ৫০ হাজার কর্মী নিয়ে মহাকরণের পথে হাঁটবেন তাঁরা। যদি বাধা দেওয়ার চেষ্টা হয় তাহলে পরিস্থিতির জন্য যে দায়ী থাকবে রাজ্য সরকার সেই হুমকিও কংগ্রেসের গলায়।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেড় বছরের শাসনকালে এই প্রথম কংগ্রেসের মহাকরণ অভিযান। মূল দাবি, রায়গঞ্জে এইমসের হাসপাতাল গড়ে তোলার জন্য জমি অধিগ্রহণ করতে হবে রাজ্য সরকারকে। সঙ্গে থাকছে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি। রয়েছে মহিলাদের ওপর নির্যাতনের ঘটনাও।

তিন জায়গা থেকে মিছিল যাবে মহাকরণের উদ্দেশ্যে। একটি মিছিল হবে ফিয়ার্স লেন থেকে। দায়িত্বে থাকবেন দীপা দাশমুন্সি। ব্রাবোন রোডের মিছিলের দায়িত্বে মানস ভুঁইঞা। রানি রাসমণি রোডের দায়িত্বে থাকবেন প্রদীপ ভট্টাচার্য।

কত মানুষ আসবেন মিছিলে?  কংগ্রেসের টার্গেট কমপক্ষে ৫০ হাজার। বুধবার সকাল থেকেই উত্তরবঙ্গের কংগ্রেস কর্মীরা আসতে শুরু করেছেন কলকাতায়। কংগ্রেসের দাবি ছাড়িয়ে যাবে অতীতের সমস্ত রেকর্ড। গন্ডগোল হলে মোকাবিলা করতে যে নেতার প্রস্তুত সেই হুমকিও প্রদীপ ভট্টাচার্যের গলায়। সবমিলে কংগ্রেসের ঘরে যেন এখন একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতি।

Post Your Comment

Total Comments:1

CONGRESS NEVER BUILT ANY MAHAKARAN.THE ONLY PARTY SHOWS,HOW TO ACHIEVE POWER TO MAKE THE PEOPLE FOOL,PARTITION,DIVIDE AND RULE. NO HIGH COMMAND. NOTHING ELSE MORE.THEY DESTROYED HUMANISM.IF ANY ONE THINK THAT MAHATMA GANDHI IS THE FATHER OF NATION? OTHERWISE WE MAY THINK OF SONIA GANDHI? THEY SHOULD ONCE AGAIN THINK OF THEIR ATTAINED EDUCATION.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।