ফের বিতর্ক প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর জন্মদিন ঘিরে

Update: July 3, 2012 20:04 IST

বিধানচন্দ্র রায়ের জন্ম ও মৃত্যুদিন পালনের বিতর্কের জের কাটিয়ে ওঠার আগেই আর এক প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর জন্মদিন নিয়ে ফের বিতর্কে জড়াতে চলেছে সরকার। আগামী রবিবার আট জুলাই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর জন্মদিন। সরকার সূত্রে খবর, বিধানচন্দ্রের মতই দুদিন আগে অর্থাৎ শুক্রবারেই জ্যোতি বসুর জন্মদিন পালন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তবে বিধানসভায় রবিবারের বদলে শুক্রবার ওই অনুষ্ঠান করা হলে তাতে যোগ দেবেন না বলে আগেই জানিয়ে দিয়েছে বামেরা।

বিরোধী বামেদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে তাঁরা রবিবারই বিধানসভায় জ্যোতিবসুর ছবিতে মালা দিয়ে শ্রদ্ধা জানাবেন। তবে বিধানচন্দ্রের জন্মদিন ঘিরে বিতর্কের পর শেষ মুহূর্তে সরকার তাদের সিদ্ধান্ত বদল করতে পারে বলেও জল্পনা একাংশের।

Post Your Comment

Total Comments:2

আশ্চর্য তো প্রকৃত জন্মদিনটির আগেই তা পালনের সংস্কৃতি চালু করছেন পরিবর্তনের ধারক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় ! পশ্চিমবঙ্গে এতটাই পরিবর্তনের বন্যা বইছে যে জন্মদিনও পরিবর্তন ! একি শ্রদ্ধা নিবেদন নাকি প্রয়াত নেতাদের প্রতি অসম্মান প্রদর্শন । উনি কী এ শিক্ষাও পাননি যে, অন্যকে অসম্মান করে নিজে সম্মান অর্জন করা যায় না !বিধানচন্দ্র রায় কিংবা জ্যোতি বসু যে রাজনৈতিক আদর্শের মানুষ হন কেন তাদের কর্মজীবন তাদের শ্রদ্ধেয় করেছে। বিপুল সংখ্যক বাঙালি এই দুই নেতার অনুসারি । তাদেরকে এভাবে খাটো করে কি ইতিহাস থেকে মুছে দেওয়া যাবে? রাজনৈতিক বিপরীত শক্তি হওয়ায় তাদেরকে আপনি স্মরণ করতে নাও পারেন,কিন্তু স্মরণের নাটক করলেও তা ঠিক দিনেই করা উচিত। পশ্চিমবঙ্গের সুশিল সমাজের কাছে এমনতর অনুচিত কাজের প্রতিবাদ চাইছি।।

Robibar-er Janmadin Hoi Naaa....... iti.....

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।