ধর্মঘটের অধিকার রক্ষায় মামলা কোঅর্ডিনেশনের

ধর্মঘটের অধিকার রক্ষায় রাজ্য সরকারের নির্দেশের বিরুদ্ধে মামলা করল রাজ্য কোঅর্ডিনেশন কমিটি। স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইবুন্যালে এই মামলা দায়ের করা হয়েছে। রাজ্যে নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর সরকারি কর্মীদের ধর্মঘট নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। সরকারি কর্মীদের ধর্মঘটের অধিকার নেই বলে দাবি করেন শ্রমমন্ত্রী। গত আঠাশে ফেব্রুয়ারি সাধারণ ধর্মঘটের আগে এক নির্দেশ জারি করেন সুখ্যসচিব। নির্দেশে বলা হয়, ওই দিন কাজে না এলে বেতন কাটা যাবে এবং চাকরির মেয়াদে ছেদ ঘটবে। মুখ্যসচিবের জারি করা নির্দেশের বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করা হয়েছে কোঅর্ডিনেশনের তরফে।

Updated: Dec 10, 2012, 10:09 PM IST

ধর্মঘটের অধিকার রক্ষায় রাজ্য সরকারের নির্দেশের বিরুদ্ধে মামলা করল রাজ্য কোঅর্ডিনেশন কমিটি। স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইবুন্যালে এই মামলা দায়ের করা হয়েছে। রাজ্যে নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর সরকারি কর্মীদের ধর্মঘট নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। সরকারি কর্মীদের ধর্মঘটের অধিকার নেই বলে দাবি করেন শ্রমমন্ত্রী। গত আঠাশে ফেব্রুয়ারি সাধারণ ধর্মঘটের আগে এক নির্দেশ জারি করেন  সুখ্যসচিব। নির্দেশে বলা হয়, ওই দিন কাজে না এলে বেতন কাটা যাবে এবং চাকরির মেয়াদে ছেদ ঘটবে। মুখ্যসচিবের জারি করা নির্দেশের বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করা হয়েছে কোঅর্ডিনেশনের তরফে।
পুলিস কর্মীদের পর এবার পালা রাজ্য সরকারি কর্মীদের। ধর্মঘটের অধিকার রক্ষায় এবার সরকারের বিজ্ঞপ্তির বিরুদ্ধে স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইবুন্যালে মামলা দায়ের করল রাজ্য কোঅর্ডিনেশন কমিটি।       
ক্ষমতায় আসার পরই সরকারি কর্মচারীদের ধমর্ঘট নিষিদ্ধ  ঘোষণা করে রাজ্যের নতুন সরকার। এবছরের আটাশে ফেব্রুয়ারি সবকটি কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নের ডাকা সাধারণ ধর্মঘটের আগে এনিয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেন রাজ্যের মুখ্যসচিব। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ধর্মঘটের দিন অফিসে হাজির না থাকলে কর্মীদের বেতন কাটা যাবে ও চাকরির মেয়াদ থেকে একদিন কমিয়ে দেওয়া হবে। একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হয় ২০ সেপ্টেম্বরের সাধারণ ধর্মঘটেও । বিভিন্ন কর্মচারী সংগঠন এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সরব হলেও তাদের আপত্তি গ্রাহ্য করেনি রাজ্য। বিজ্ঞপ্তি মতোই ধর্মঘটের দিন অনুপস্থিত কর্মীদের একদিনের বেতন কেটে নেওয়া হয়। চাকরির মেয়াদ থেকে কমিয়ে দেওয়া হয় একদিন । রাজ্য কোঅর্ডিনেশন কমিটির দাবি, রাজ্য সরকারের দুটি পদক্ষেপই সম্পূর্ণ বেআইনি। সরকারের বিজ্ঞপ্তির বিরুদ্ধে এবার স্টেট অ্যাডিমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইবুন্যালের দ্বারস্থ হচ্ছে কোঅর্ডিনেশন কমিটি ।
পুলিসে ইউনিয়ন করার বিষয়ে সরকারি নিষেধাজ্ঞা সোমবারই খারিজ করে দিয়েছে হাইকোর্ট। কোঅর্ডিনেশন কমিটির নেতৃত্বের আশা, ধর্মঘটের অধিকার রক্ষাতেও তাঁদের পক্ষেই রায় দেবে ট্রাইবুন্যাল।